মনীষীর ছবি অবমাননা ঘিরে ধুন্ধুমার! SRFTI-র ক্যাম্পাসে ছাত্র বিক্ষোভে ঠিক কী ঘটেছিল?

রাজনৈতিক মতপার্থক্য গণতন্ত্রের অঙ্গ হতেই পারে, তবে সেই মতবিরোধের জেরে যখন দেশের কোনো মহান মনীষীর ছবিকে অসম্মান করার অভিযোগ ওঠে, তখন তা স্বাভাবিকভাবেই গভীর প্রশ্নচিহ্নের মুখে পড়ে। সম্প্রতি এমনই এক নক্কারজনক ঘটনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট (SRFTI)। স্বামী বিবেকানন্দ কেবল বাংলার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও চিন্তাধারার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ নন, তিনি গোটা জাতির অহংকার। কিন্তু তাঁর ছবিকে ঘিরে চলা বিতর্ককে কেন্দ্র করে কীভাবে উত্তপ্ত হয়ে উঠল এসআরএফটিআই-এর চত্বর, তা নিয়ে এখন তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি।
সূত্রের খবর, মতাদর্শগত বিরোধ ও বিভিন্ন ইস্যুতে দুই পক্ষের মধ্যে চলা দীর্ঘ বচসা একসময় চরম আকার নেয়। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে তা তীব্র সংঘর্ষ ও অশান্তির রূপ নেয়। অভিযোগ ওঠে, এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝেই স্বামী বিবেকানন্দের মতো মহান ব্যক্তিত্বের ছবিকে অসম্মান করা হয়েছে, যা মুহূর্তে ক্ষোভের আগুন জ্বালিয়ে দেয়। ছাত্র মহলের একাংশের জোরালো প্রতিবাদের জেরে ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ মারাত্মকভাবে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দু’পক্ষের টানটান উত্তেজনা এবং স্লোগান-পাল্টা স্লোগানে পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাওয়ার উপক্রম হয়।
এই ঘটনার জেরে শুধু প্রতিষ্ঠানের অন্দরেই নয়, বরং সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক মহলেও তীব্র নিন্দার ঝড় উঠেছে। রাজনৈতিক মতাদর্শগত লড়াইয়ের নামে মনীষীদের অসম্মান করার এই প্রবণতাকে একেবারেই মেনে নিতে পারছেন না সচেতন নাগরিকরা। ঘটনার প্রেক্ষাপট ও উভয় পক্ষের বক্তব্য খতিয়ে দেখে প্রশাসন এবং প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ এখন গোটা পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে। ঠিক কী কারণে এই অশান্তির সূত্রপাত এবং এর পেছনে প্রকৃত উস্কানি কার ছিল, তা নিয়ে তদন্তের দাবিও জোরালো হচ্ছে।