ছোট প্রবেশদ্বারও হবে সবুজে ভরপুর! কোনো হাঁটার জায়গা নষ্ট না করেই পোর্টিকো সাজানোর ৫ সিক্রেট ট্রিক!

ঘরের প্রবেশদ্বার বা পোর্টিকো হলো অতিথিদের চোখে বাড়ির প্রথম ইম্প্রেশন। কিন্তু অনেকেরই অভিযোগ থাকে, পোর্টিকো বা প্রবেশদ্বারের জায়গা ছোট হওয়ায় গাছ লাগিয়ে সাজানো সম্ভব হয় না, কিংবা টব রাখলে হাঁটাচলার জায়গা কমে গিয়ে ঘিঞ্জি দেখায়। তবে সঠিক পরিকল্পনা থাকলে একদম মেঝের জায়গা নষ্ট না করেই আপনার ছোট পোর্টিকোটিকে সবুজ ও জীবন্ত করে তোলা সম্ভব।

ছোট প্রবেশদ্বারকে সতেজ ও আকর্ষণীয় করে তুলতে মানুন এই সহজ ৫টি টিপস:

১. দেওয়ালে তৈরি করুন ‘ভার্টিকাল গার্ডেন’: পোর্টিকোর ফাঁকা দেওয়ালে তৈরি করে নিতে পারেন একটি ‘ভার্টিকাল গার্ডেন’। এর জন্য পকেট প্লান্টার বা ওয়াল গ্রিড ব্যবহার করতে পারেন। এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, মেঝের এক ইঞ্চি জায়গাও নষ্ট হয় না, অথচ দেওয়ালেই সারিবদ্ধভাবে ছোট ছোট অনেক গাছ রাখা যায়।

২. দেওয়ালে ঝুলন্ত টব (Wall-Mounted Planters): মেঝে ফাঁকা রাখতে ওয়াল-মাউন্টেড বা দেওয়ালে ঝুলিয়ে রাখা যায় এমন টব ব্যবহার করতে পারেন। ফাঁকা দেওয়ালে রঙিন বা নান্দনিক ডিজাইনের টব ঝুলিয়ে তাতে ইনডোর প্লান্ট লাগালে প্রবেশদ্বারের সৌন্দর্য মুহূর্তেই বহুগুণ বেড়ে যায়।

৩. কোণায় রাখুন নানান্দিক টব: পুরো পোর্টিকোর মেঝে জুড়ে টব না ছড়িয়ে এক কোণায় সুন্দর করে সাজিয়ে রাখুন। ছোট-বড় নানা আকারের টব এক কোণায় একসঙ্গে রাখলে দেখতে যেমন ছিমছাম লাগে, তেমনি চলাচলের পথও পুরোপুরি খোলামেলা থাকে।

৪. রেলিংয়ের নিখুঁত ব্যবহার: পোর্টিকোতে যদি সেফটি গ্রিল বা রেলিং থাকে, তবে সেখানে হালকা ওজনের আয়তাকার প্লান্টার আটকে দিতে পারেন। রেলিংয়ে ঝোলানো গাছে যেমন চারপাশ সবুজে ভরে ওঠে, তেমনি মেঝের পুরো জায়গাটাই ফাঁকা পাওয়া যায়। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে মজবুত ও হালকা গ্রিল-প্লান্টার বেছে নেওয়া উচিত।

৫. গাছ ও টবের সঠিক নির্বাচন: ছোট জায়গায় বিশাল আকারের বা ছড়িয়ে পড়া গাছ ব্যবহার করবেন না। পোর্টিকোর আলোর পরিবেশ বুঝে অল্প দেখভালে বাঁচে এমন কম পরিচর্যার গাছ এবং হালকা মেটেরিয়ালের টব ব্যবহার করুন।

সঠিক কৌশলে দেওয়াল, কোণা এবং রেলিং ব্যবহার করলে মেঝের অহেতুক ঘিঞ্জি ভাব দূর হবে এবং আপনার বাড়ির প্রবেশদ্বারটি এক লহমায় হয়ে উঠবে প্রকৃতিঘেরা শান্ত ও সতেজ এক রূপকথা!