“এক থালা ভাত নিমেষেই গায়েব!”-শিখেনিন ঘটি স্টাইলে চিংড়ির মালাইকারি বানানোর পদ্ধতি

ইলিশ মাছের মতো চিংড়ির পদের ক্ষেত্রেও রয়েছে নিখুঁত রান্নার ঐতিহ্য। বাঙালির হেঁসেলে ঘটি বাড়ির স্টাইল মেনে চিংড়ির মালাইকারি বানালে তার স্বাদ হয় একেবারে আলাদা এবং অতুলনীয়। গরম ভাতের সঙ্গে এই পদ পরিবেশন করলে পরিবারের সবাই তৃপ্তি করে খাবেন।
প্রয়োজনীয় উপকরণ
চিংড়ি মাছ: ৫০০ গ্রাম (একটু বড় সাইজের গলদা চিংড়ি হলে সবথেকে ভালো হয়, পরিষ্কার করে পিঠের কালো রগ ছাড়িয়ে নুন-হলুদ মাখানো)
নারকেল দুধ: ২ কাপ (১ কাপ ঘন দুধ এবং ১ কাপ পাতলা দুধ আলাদা করে প্রয়োজন)
পেঁয়াজ বাটা: ২ টেবিল চামচ
আদা বাটা: ১ চা চামচ
জিরে বাটা ও জিরে গুঁড়ো: আধ চামচ করে
কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো: ১ চামচ
ফোড়নের জন্য: গোটা গরম মশলা ও ১টি তেজপাতা
কাঁচালঙ্কা: ৪ থেকে ৫টি (চেরা)
সর্ষের তেল: ৩ থেকে ৪ টেবিল চামচ
অন্যান্য: ১ টেবিল চামচ ঘি, অল্প চিনি এবং পরিমাণমতো নুন ও হলুদ
রান্নার সহজ পদ্ধতি সবার প্রথমে কড়াইতে সর্ষের তেল গরম করে নিন। নুন-হলুদ মাখানো চিংড়ি মাছগুলো তেলে দিয়ে হালকা করে ভেজে তুলে রাখুন। মনে রাখবেন, চিংড়ি বেশি ভাজলে শক্ত হয়ে যায়, তাই হালকা ভাজাই শ্রেয়।
এরপর কড়াইতে আরও কিছুটা তেল দিয়ে তাতে তেজপাতা ও গোটা গরম মশলা ফোড়ন দিন। সুন্দর গন্ধ বের হলে আঁচ কমিয়ে পেঁয়াজ বাটা দিয়ে হালকা সোনালী করে ভেজে নিন। এবার আদা বাটা, হলুদ, লঙ্কার গুঁড়ো এবং জিরে গুঁড়ো সামান্য জলে গুলে কড়াইতে ঢেলে দিন এবং মশলা ভালো করে কষাতে থাকুন।
মশলা থেকে তেল ছাড়লে প্রথমে নারকেলের পাতলা দুধটা দিয়ে দিন। সঙ্গে পরিমাণমতো নুন ও সামান্য চিনি দিয়ে ঝোল ফোটার অপেক্ষা করুন। ঝোল ফুটতে শুরু করলে ভেজে রাখা চিংড়ি মাছ এবং চেরা কাঁচালঙ্কাগুলো দিয়ে ৫ থেকে ৭ মিনিট রান্না করুন।
ঝোল ঘন হয়ে এলে বাকি থাকা ১ কাপ ঘন নারকেলের দুধটুকু কড়াইতে ঢেলে দিন। হালকা হাতে নেড়ে আরও মাত্র ২ মিনিট ফোটান। সবশেষে রান্নার নামানোর আগে উপর থেকে এক চামচ ঘি এবং সামান্য গরম মশলা ছড়িয়ে ঢাকা দিয়ে রাখুন। ব্যাস, একদম তৈরি হয়ে যাবে ঘটি বাড়ির স্টাইলের সুস্বাদু চিংড়ির মালাইকারি।