মমতাকে বড় ধাক্কা! দলত্যাগ করা ২০ বিদ্রোহী সাংসদকে কোন বিশেষ ছাড় দিলেন স্পিকার?

তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে নবগঠিত এনসিপিআই (NCPI) শিবিরে যোগ দেওয়া ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণী রাজনৈতিক লড়াইয়ে এক বড় মোড়ল তৈরি হলো। দলত্যাগকারী এই সাংসদদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করে তাঁদের সংসদ সদস্যপদ খারিজ করার জোরালো দাবি জানিয়ে লোকসভার স্পিকারের কাছে আনুষ্ঠানিক আর্জি জানিয়েছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে এর আগে লোকসভার সচিবালয়ের পক্ষ থেকে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও কাকলি ঘোষ দস্তিদার সহ ওই ২০ জন সাংসদকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে লিখিত জবাব দেওয়ার জন্য নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চূড়ান্ত জবাব দাখিল না করে, আইনি জটিলতা ও পূর্ণাঙ্গ আলোচনার কথা উল্লেখ করে আরও তিন সপ্তাহের অতিরিক্ত সময় চেয়ে লোকসভার সচিবালয়কে চিঠি দিয়েছিলেন বিদ্রোহী সাংসদরা।

অবশেষে সেই আবেদন মঞ্জুর করে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা দলবদলকারী ওই ২০ জন সাংসদকে উত্তর দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত তিন সপ্তাহ অর্থাৎ আগামী ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় মঞ্জুর করেছেন। স্পিকারের দপ্তরের এই নতুন সিদ্ধান্তের ফলে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কাকলি ঘোষ দস্তিদারদের মতো হেভিওয়েট নেতারা সাময়িকভাবে বড় স্বস্তি পেলেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আনা কঠোর দলত্যাগ বিরোধী অভিযোগের মুখে দাঁড়িয়ে নিজেদের আইনি ও রাজনৈতিক যুক্তি সাজানোর জন্য তাঁরা পর্যাপ্ত সময় হাতে পেয়ে গেলেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই বাড়তি সময় পাওয়ার ফলে বিদ্রোহী শিবির কিছুটা অক্সিজেন পেলেও, আগামী ২২ সেপ্টেম্বরের পর স্পিকারের চূড়ান্ত রায় কী হবে, তা নিয়েই এখন রাজ্য ও জাতীয় রাজনীতিতে তীব্র জল্পনা ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।