আয়ুষ্মান ভারতের সুবিধা পেতে আজই করুন এই কাজ! কোন বিশেষ নথির গেরোয় আটকে আছে আপনার বড় সুযোগ? জেনে নিন

রাজ্যে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সাধারণ মানুষের কল্যাণে একের পর এক নতুন প্রকল্প ও ভাতা চালু হওয়ার ধারা অব্যাহত রয়েছে। অতীতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের আমলেও রাজ্যজুড়ে বিধবা ভাতা, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, স্বাস্থ্য সাথী, কন্যাশ্রী থেকে শুরু করে যুবশ্রীর মতো বহু জনপ্রিয় প্রকল্প চালু ছিল, যার মাধ্যমে উপকৃত হতেন লক্ষ লক্ষ সাধারণ মানুষ। ঠিক তেমনই বিভিন্ন সময়ে কেন্দ্রীয় বা অন্য সরকারগুলির পক্ষ থেকেও অন্নপূর্ণা যোজনা, আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প এবং যুবশক্তির মতো নানা জনমুখী প্রকল্প চালু করা হয়েছে। সম্প্রতি বহুল চর্চিত ও গুরুত্বপূর্ণ ‘আয়ুষ্মান ভারত’ কার্ড নিয়ে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে, যা প্রতিটি সচেতন নাগরিকের জেনে রাখা অত্যন্ত জরুরি।
সর্বভারতীয় এই স্বাস্থ্য প্রকল্পের সুবিধা পেতে হলে নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম ও শর্ত কঠোরভাবে মেনে চলতে হয়। জানা গিয়েছে, এই কার্ডের জন্য আবেদন করতে হলে কিছু আবশ্যিক নথি বা প্রমাণপত্র থাকা বাধ্যতামূলক, অন্যথায় আবেদন প্রক্রিয়া অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। নিয়ম অনুযায়ী, আবেদন করার জন্য প্রথমে আয়ুষ্মান ভারত কার্ড তৈরির বিশেষ এবং অফিশিয়াল ওয়েবসাইট [https://abdm.gov.in/](https://abdm.gov.in/)-এ প্রবেশ করতে হবে। সেখানে গিয়ে নির্দিষ্ট অনলাইন ফর্মটি সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। এরপর ‘Apply for ABHA card online’ অপশনে ক্লিক করে পরবর্তী ধাপে এগোতে হবে। এই প্রক্রিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো নির্দিষ্ট নম্বর দিয়ে যাচাইকরণ বা ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করা, যার পরেই চূড়ান্তভাবে কার্ডটি হাতে পাওয়া সম্ভব হয়।
তবে এই পুরো আবেদন প্রক্রিয়ায় সবথেকে বড় শর্ত হলো— আবেদনকারীর কাছে নির্দিষ্ট সরকারি নথি থাকা আবশ্যিক। বিশেষ করে কার্ডটি পাওয়ার জন্য আবেদনপত্রে নির্দিষ্ট পরিচয়পত্র বা রেশন কার্ডের নম্বর প্রদান করা অত্যন্ত জরুরি। এই বিশেষ নথিগুলি ছাড়া কোনো নাগরিক চাইলেও এই প্রকল্পের জন্য আবেদন করতে পারবেন না। এর পাশাপাশি, একটি সচল ও সক্রিয় মোবাইল নম্বর থাকা বাধ্যতামূলক, কারণ অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া চলাকালীন নিরাপত্তার খাতিরে রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বরে একটি ওটিপি (OTP) পাঠানো হয়। সেই ওটিপি সঠিকভাবে درج বা সাবমিট না করলে আবেদন প্রক্রিয়া কোনোভাবেই সফল হবে না।
অতীতে মমতা সরকারের আমলে যেমন একাধিক জনকল্যাণমূলক ভাতা চালু ছিল, যার মধ্যে বিধবা ভাতা, বার্ধক্য ভাতা, অত্যন্ত জনপ্রিয় লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ও যুবসাথীর মতো প্রকল্প উল্লেখযোগ্য, যার মাধ্যমে রাজ্যের মানুষ নিয়মিত আর্থিক সুবিধা পেতেন; তেমনই বর্তমান পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বিভিন্ন প্রকল্পের রূপ ও অনুদানের পরিমাণেও বড় পরিবর্তন এসেছে। বর্তমানে অন্নপূর্ণা যোজনা, কন্যারত্ন এবং যুবশক্তির মতো বিভিন্ন ভাতার পাশাপাশি প্রচলিত রয়েছে পুরনো বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা যোজনাও। ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের মতে, বর্তমান সময়ে জনকল্যাণমূলক এই সমস্ত প্রকল্পে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। তাই আপনিও যদি এই ধরনের সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেতে চান, তবে দ্রুত সমস্ত প্রয়োজনীয় নথি প্রস্তুত করে সঠিক নিয়ম মেনে আবেদন করুন।