লোকসভা স্পিকারের নিষ্ক্রিয়তার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ! অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আর্জিতে সরাসরি নোটিস দিল শীর্ষ আদালত

তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অফ ইন্ডিয়া (NCPI)-তে যোগ দেওয়া ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ গ্রহণ করল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। দলবদলকারী এই বিদ্রোহী সাংসদদের সদস্যপদ খারিজের দাবিতে তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক তথা লোকসভার দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়সহ কুড়ি জন বিদ্রোহী সাংসদকে সরকারিভাবে নোটিস পাঠাল সুপ্রিম কোর্ট। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে এই মামলার পরবর্তী শুনানি ধার্য করা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে বড় ধরণের ভাঙন ধরিয়ে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, ইউসুফ পাঠান-সহ ২০ জন সাংসদ দল ছেড়ে এনসিপিআই শিবিরে ভিড়ে যান এবং নিজেদের একটি আলাদা গোষ্ঠী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার আর্জি জানান। এই দলত্যাগের পরেই দলের পক্ষ থেকে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে তাদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে দলত্যাগ বিরোধী আইনে সদস্যপদ খারিজের আবেদন জানানো হয়েছিল। কিন্তু স্পিকারের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে দীর্ঘসূত্রিতা ও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বিশেষ বেঞ্চ এই মামলার শুনানি গ্রহণ করেছে। তৃণমূল শিবিরের জোরালো যুক্তি, যেহেতু এই সংসদীয় প্রতিনিধিরা দলের প্রতীকে এবং সমর্থনে নির্বাচিত হয়ে পরবর্তীতে অন্য রাজনৈতিক শিবিরে ভিড়েছেন, তাই সংবিধানের দশম তফশিল বা দলত্যাগ বিরোধী আইন অনুযায়ী তাদের সদস্যপদ অবিলম্বে বাতিল হওয়া উচিত। এই আইনি লড়াইয়ের জেরে দিল্লির রাজনৈতিক মহলে এবং বাংলা জুড়ে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। দুই সপ্তাহ পর সর্বোচ্চ আদালতের পরবর্তী শুনানিতে এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির কী রায় আসে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল