‘ভয়ঙ্কর অপরাধ! অসমের হোমস্টেতে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে গণধর্ষণ করে রাস্তায় ফেলে গেল ৫ লম্পট’

অসমের গুয়াহাটি শহরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ফের এক বিরাট প্রশ্নচিহ্ন তৈরি হলো। খাস রাজধানী শহরে এক অষ্টম শ্রেণির নাবালিকা স্কুলছাত্রীকে হোমস্টেতে আটকে রেখে ভয়াবহ গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় গোটা রাজ্যজুড়ে তীব্র ক্ষোভ এবং চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সুরক্ষিত হোমস্টের অন্দরে কীভাবে এই ধরনের জঘন্য অপরাধ সংঘটিত হলো, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

পুলিশ সূত্রে পাওয়া প্রাথমিক খবরে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তরা মোট পাঁচজন। তারা পূর্ব পরিকল্পনা মাফিক ওই নাবালিকাকে একটি হোমস্টেতে নিয়ে যায় এবং সেখানে তার ওপর অকথ্য শারীরিক নির্যাতন চালায় বলে অভিযোগ। দীর্ঘক্ষণ ধরে চলা এই পাশবিক অত্যাচারের পর অসুস্থ ও নিগৃহীত অবস্থায় ওই কিশোরীকে গুয়াহাটির একটি ব্যস্ত রাস্তার ধারে ফেলে দিয়ে চম্পট দেয় অভিযুক্তরা।

পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ অত্যন্ত তৎপরতার সঙ্গে নিগৃহীতা কিশোরীকে উদ্ধার করে এবং তাকে চিকিৎসার জন্য নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করে। বর্তমানে চিকিৎসকদের একটি বিশেষ দল ওই ছাত্রীর শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছে।

পুলিশ এই ঘটনায় একটি সুনির্দিষ্ট মামলা রুজু করে জোরকদম তদন্ত শুরু করেছে। অভিযুক্তদের শনাক্ত করতে হোমস্টের আশেপাশের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং সম্ভাব্য সমস্ত জায়গায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে, এই নৃশংস ঘটনার সঙ্গে যুক্ত কাউকেই রেহাই দেওয়া হবে না এবং খুব শীঘ্রই সমস্ত অপরাধীকে আইনের আওতায় এনে কঠোরতম শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। তবে খাস রাজধানীতে এমন একটি ঘটনার পুনরাবৃত্তি নারী সুরক্ষা এবং আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার কঙ্কালসার রূপটিই ফের একবার প্রকাশ্যে এনে দিল।