‘সুনীতাকে প্রস্তুত থাকতে হবে…’ জুহি-দিব্যাকে নিয়ে কী বলেছিলেন ‘হিরো নম্বর ১’? ফাঁস হওয়া সাক্ষাৎকারে শোরগোল!

বলিউডের চিরসবুজ তারকা গোবিন্দা ও তাঁর স্ত্রী সুনীতা আহুজাকে ঘিরে জল্পনা-কল্পনার অন্ত নেই। বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা তুলে নেওয়া সত্ত্বেও সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে কাটাছেঁড়া থামছে না। জনসমক্ষে সুনীতার করা নানা মন্তব্য এবং গোবিন্দার পালটা প্রতিক্রিয়ার মাঝেই এবার অভিনেতার একটি বহু পুরোনো সাক্ষাৎকার ইন্টারনেটে ঝড়ের বেগে ভাইরাল হয়েছে। যেখানে তাঁর জন্মকুণ্ডলী অনুযায়ী দ্বিতীয় বিয়ে করার কথা থেকে শুরু করে সহ-অভিনেত্রীদের প্রতি আকর্ষণের খোলামেলা স্বীকারোক্তি নেটপাড়ায় নতুন করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

ভাইরাল হওয়া সেই পুরোনো ম্যাগাজিনের সাক্ষাৎকারে গোবিন্দাকে অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় বলতে শোনা গিয়েছিল, “কে বলতে পারে আগামী দিনে আমি অন্য কোনো মেয়ের প্রেমে পড়ব না… হয়তো যাঁকে ভালোবেসে ফেলব, তাঁকেই বিয়ে করব! তবে এই পরিস্থিতির জন্য সুনীতাকে আগে থেকেই মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে হবে।” অভিনেতার এই বিস্ফোরক মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই অনুরাগী মহলে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। এমনকি সেই একই সাক্ষাৎকারে গোবিন্দা তাঁর তৎকালীন জনপ্রিয় সহ-অভিনেত্রী জুহি চাওলা এবং প্রয়াত ডিভা দিব্যা ভারতীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছিলেন। দিব্যা ভারতীকে অত্যন্ত মোহময়ী ও আকর্ষণীয় আখ্যা দিয়ে অভিনেতা দাবি করেছিলেন যে, কোনো পুরুষের পক্ষেই তাঁকে উপেক্ষা করা অত্যন্ত কঠিন। তবে সেই সঙ্গে তিনি এও যোগ করেছিলেন যে, সুনীতা এই কথাগুলো শুনলে কষ্ট পেলেও তিনি এখনও পর্যন্ত সেই প্রলোভনের কাছে আত্মসমর্পণ করেননি।

উল্লেখ্য, বান্দ্রা ফ্যামিলি কোর্টে ছেলে যশবর্ধনকে সঙ্গে নিয়ে সুনীতার উপস্থিতি ঘিরে প্রথমে বিচ্ছেদের গুঞ্জন তীব্র আকার ধারণ করেছিল। পরে গোবিন্দার ম্যানেজারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয় যে, ২০২৪ সালে করা সেই বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা প্রত্যাহার করতেই তাঁরা আদালতে গিয়েছিলেন। প্রসঙ্গত, ১৯৮৭ সালে কেরিয়ারের চরম শিখরে থাকাকালীন সুনীতার সঙ্গে গোপনে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন গোবিন্দা। পরবর্তীতে ১৯৮৮ সালে তাঁদের প্রথম কন্যা টিনার জন্মের পর এই বিয়ের কথা প্রকাশ্যে আসে এবং ১৯৯৭ সালে তাঁদের কোল আলো করে আসে পুত্র যশবর্ধন। দাম্পত্য জীবনের দীর্ঘ উত্থান-পতনের মাঝেও গোবিন্দার এই পুরোনো সাক্ষাৎকার নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।