অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার নিয়ে বড় আপডেট! কবে ঢুকবে ৩ হাজার টাকার তৃতীয় কিস্তি? জানুন বড় ঘোষণা

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের তৃতীয় কিস্তির টাকা নিয়ে রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। রাজ্যের মহিলাদের জন্য চালু হওয়া এই জনপ্রিয় প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতি মাসে ৩ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করছে সরকার। ইতিমধ্যে দুটি কিস্তির টাকা সফলভাবে উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে পৌঁছে গিয়েছে এবং এখন সমস্ত নজর তৃতীয় কিস্তির বিতরণের দিকে। তবে টাকা পাওয়ার আগে ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া এবং মুখ্যমন্ত্রীর সাম্প্রতিক ঘোষণা ঘিরে তৈরি হয়েছে ব্যাপক কৌতূহল।
রাজ্যের প্রগতিশীল এই প্রকল্পে সুবিধা পেতে হলে যোগ্য আবেদনকারীদের নথি যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। সরকারি সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, এই ভেরিফিকেশন বা যাচাইয়ের কাজ চলবে আগামী ৩০ অগস্ট পর্যন্ত। এই খবর প্রকাশ্যে আসার পরেই সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন জাগছে যে, তবে কি যাদের ভেরিফিকেশন বাকি রয়েছে, তারা কি তৃতীয় কিস্তির টাকা পাবেন না? এই সংশয় দূর করতে খোদ প্রশাসনিক প্রধান বিশেষ বার্তা দিয়েছেন।
সম্প্রতি উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়ে এই বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, ৩০ অগস্টের মধ্যে যে সকল যোগ্য উপভোক্তা নাম নথিভুক্ত করবেন, তারা প্রত্যেকেই বকেয়া বা আসন্ন কিস্তির টাকা পেয়ে যাবেন। তিনি দেশবাসীকে বা রাজ্যবাসীকে আশ্বাস দিয়ে বলেছেন যে, বর্তমানে নথি যাচাইয়ের কাজ অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে চলছে। অগস্ট মাসের শুরুতেই অনেক যোগ্য আবেদনকারী এই আর্থিক সাহায্য হাতে পাবেন। তবে শর্ত একটাই, নথি যাচাইয়ের প্রক্রিয়ায় যে সকল আবেদনকারী সমস্ত মাপকাঠি সফলভাবে পূরণ করবেন, কেবল তারাই এই ভাতার সুবিধা ভোগ করবেন।
প্রশাসনিক সূত্রে খবর, লক্ষ লক্ষ উপভোক্তা ইতিমধ্যে এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে শুরু করেছেন এবং অনেকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে নিয়মিত টাকা ঢুকছে। বর্তমান পর্যায়ে তৃতীয় কিস্তির টাকা পাওয়ার পালা। যাচাইকরণ প্রক্রিয়া শেষ হওয়ামাত্রই দ্রুত গতিতে বাকি উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টগুলিতে টাকা স্থানান্তরিত করা হবে। প্রক্রিয়াটিকে আরও স্বচ্ছ এবং নিখুঁত করতেই এই সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
শুধু সাধারণ মানুষ বা উপভোক্তারা নন, এই প্রকল্পের সফল রূপায়ণের জন্য জনপ্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যেও কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে, কেবলমাত্র প্রশাসনিক আধিকারিক বা আমলাদের ওপর ভরসা করে হাত গুটিয়ে বসে থাকলে চলবে না। প্রকল্প যাতে প্রতিটি প্রকৃত উপভোক্তার কাছে পৌঁছায়, তার জন্য গ্রাউন্ড লেভেলে বা মাঠ পর্যায়ে সমীক্ষা করতে হবে। প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়কদের অবিলম্বে উদ্যোগী হয়ে এই কাজে নেমে পড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে কোনো প্রকৃত অভাবী মহিলা এই প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন।