পেটের চর্বি ডায়াবেটিস এবং হার্টের অসুখের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তাই পেটের চর্বি জমতে দেয়া যাবে না। দৈনন্দিন কিছু অভ্যাসেই পেটের চর্বি ঝরতে সহায়তা করবে।
সোডা পরিহার: যেসব খাবারে সোডা আছে সেগুলো পরিহার করাই ভালো। কৃত্রিম মিষ্টিজাতীয় খাবার, কোমল পানীয় এগুলোতে সোডা থাকে। এই সোডা ইনসুলিন উৎপন্নকে স্থবির করে দেয় এবং পেটে চর্বি জমতে সহায়তা করে।
গ্রিন টি খাওয়া: সকালটা শুরু করতে পারেন এক কাপ গ্রিন টি দিয়ে। এতে থাকা ক্যাটাসিন হজমক্রিয়া বাড়িয়ে দেয় এবং পেটের চর্বি পোড়াতে সহায়তা করে।
ফাইবার জাতীয় খাবার: কেবল হজমক্রিয়ার উন্নতিই ঘটায় না এটি দীর্ঘ সময় ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে। এটি উচ্চ ক্যালরিসমৃদ্ধ খাবার থেকে বিরত থাকতে সহায়তা করে।
আখরোট: এতে প্রচুর আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট রয়েছে। একমুঠো আখরোট শরীর থেকে চর্বি কমাতে সহায়তা করে, বিশেষ করে কোমরের চারপাশে। এটি স্বাস্থ্যসম্মতভাবে ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
অ্যালকোহল পরিহার করা: অ্যালকোহল জাতীয় পানীয়তে প্রচুর ক্যালরি থাকে যা শরীরে চর্বি বাড়িয়ে দেয়। স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে চাইলে অবশ্যই অ্যালকোহল থেকে দূরে থাকতে হবে।
নারকেল তেলে রান্না: অন্যান্য তেলের চেয়ে নারকেল তেলে রান্না করলে খুব কমই কোলেস্টেরল জমে। এই তেল দেহে চর্বি জমানোর পরিবর্তে চর্বি ঝরাতে সহায়তা করে।
মানসিক চাপমুক্ত থাকা: গবেষণায় দেখা গেছে- মানসিক চাপ এবং দুশ্চিন্তা শরীরে কর্টিসল হরমোনকে বাড়িয়ে দেয়, যা হজমক্রিয়াকে ধীর গতি করে দেয় এবং দেহে চর্বি জমতে সহায়তা করে।
পর্যাপ্ত ঘুম: গবেষণায় দেখা গেছে যারা কম ঘুমান তাদের ওজন বেড়ে যায় এবং এটি পেটের চর্বি ঝরানোর কাজটি কঠিন করে তোলে।bs