এএমএইচ (AMH) মাত্রা কম? প্রজনন ক্ষমতা বাড়াতে ডায়েটে আনুন এই ৫টি পরিবর্তন

অ্যান্টি-মুলারিয়ান হরমোন বা এএমএইচ (AMH) ডিম্বাশয়ের রিজার্ভ মূল্যায়নের অন্যতম প্রধান নির্দেশক। অনেকেরই প্রশ্ন, খাবার খেয়ে কি এএমএইচ বাড়ানো সম্ভব? বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, সরাসরি খাবার এএমএইচ বাড়াতে না পারলেও, সঠিক খাদ্যাভ্যাস ডিম্বাণুর বিকাশে সহায়ক পরিবেশ তৈরি করে। ডিম্বাণুর গুণমান, প্রদাহ নিয়ন্ত্রণ এবং বিপাকীয় স্বাস্থ্য বজায় রাখতে পুষ্টিকর ডায়েট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ‘নিউট্রিয়েন্টস’ জার্নালের সাম্প্রতিক গবেষণা অনুযায়ী, শাক-সবজি, ফল, ডাল, বীজ ও স্বাস্থ্যকর চর্বি জাতীয় খাবার প্রজনন স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কার্যকর।

ফার্টিলিটি বিশেষজ্ঞরা এএমএইচ কম থাকা নারীদের জন্য পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের পরামর্শ দেন:
১. ভিটামিন ডি: ডিম্বাশয়ের কার্যকারিতা বাড়াতে ভিটামিন ডি অপরিহার্য, যা রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত করে মাছ বা সাপ্লিমেন্টের মাধ্যমে পূরণ করা উচিত।
২. CoQ10 সমৃদ্ধ খাবার: তৈলাক্ত মাছ ও শস্যদানায় থাকা কোএনজাইম Q10 ডিম্বাণুর কোষীয় শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
৩. ওমেগা-৩: প্রদাহ কমাতে আখরোট, তিসি ও চিয়া সিডের মতো ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ খাবার ডায়েটে রাখুন।
৪. আয়রন ও ফোলেট: কোষ বিভাজন ও প্রজনন স্বাস্থ্যের জন্য রক্ত পরীক্ষা করে আয়রন ও ফোলেটের মাত্রা নিশ্চিত করুন।
৫. প্রক্রিয়াজাত খাবার বর্জন: রক্তে শর্করার মাত্রা ও হরমোনের ভারসাম্য ঠিক রাখতে পরিশোধিত চিনি ও অতি-প্রক্রিয়াজাত কার্বোহাইড্রেট এড়িয়ে চলুন।

মনে রাখবেন, ডায়েট এএমএইচ-এর সংখ্যা না বাড়ালেও, ডিম্বাণুর গুণমান ও সামগ্রিক ফার্টিলিটি ফলাফলে ব্যাপক ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। সঠিক ডায়েটের পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শ ও বয়স অনুযায়ী পরিকল্পনা গ্রহণই সন্তান ধারণের পথে কার্যকর পদক্ষেপ।