ব্রণের ভয়ে বাইরে বেরোতে লজ্জা? কিশোর-কিশোরীদের জন্য রইল ত্বক ভালো রাখার ৫টি জাদুকরী টিপস!

কৈশোরকাল মানেই পড়াশোনা, বন্ধুত্ব আর নতুন অভিজ্ঞতার মেলা। তবে এই সময়ে অধিকাংশ তরুণ-তরুণীর আত্মবিশ্বাসে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায় মুখের ব্রণ বা ফুসকুড়ি। আয়নার সামনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় কাটানো বা ভুলভাল ঘরোয়া টোটকা ব্যবহার করে সমস্যার সমাধান তো হয়ই না, উলটে ত্বকের দফারফা হয়। তবে ভয় পাওয়ার কিছু নেই, সঠিক সচেতনতাই পারে আপনাকে এই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে।
কেন হয় এই সমস্যা? কিশোর বয়সে শরীরের হরমোনের মাত্রায় ব্যাপক পরিবর্তন ঘটে। এর ফলে ত্বকের তেল নিঃসরণকারী গ্রন্থিগুলো অতিরিক্ত সক্রিয় হয়ে ওঠে। এই বাড়তি তেল যখন ধুলোবালি ও মৃত কোষের সঙ্গে মিশে লোমকূপ বন্ধ করে দেয়, তখনই জন্ম নেয় ব্রণ। এছাড়াও জাঙ্ক ফুড, মানসিক চাপ, অপর্যাপ্ত ঘুম এবং বারবার মুখে হাত দেওয়ার অভ্যাস এই সমস্যাকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
ব্রণ কমাতে ৫টি কার্যকরী উপায়:
নিয়মিত পরিষ্কার: দিনে অন্তত দু’বার মৃদু ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন। অতিরিক্ত ঘষামাজা করবেন না, এতে ত্বক আরও বেশি তেল নিঃসরণ করতে শুরু করবে।
সুষম খাদ্য: ভাজাপোড়া, অতিরিক্ত তেল ও চিনিযুক্ত খাবার থেকে দূরে থাকুন। খাদ্যতালিকায় রাখুন প্রচুর ফল, সবুজ শাকসবজি এবং পর্যাপ্ত জল।
হাত দেওয়ার অভ্যেস ত্যাগ: ব্রণ টিপে ফেলার অভ্যাস একেবারে বন্ধ করুন। এটি করলে সংক্রমণ তো বাড়েই, এমনকি মুখে স্থায়ী দাগ পড়ে যায় যা সারাতে কয়েক বছর পর্যন্ত লেগে যেতে পারে।
পর্যাপ্ত ঘুম: ত্বককে পুনরুজ্জীবিত করতে দিনে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম অত্যন্ত জরুরি। অনিদ্রা ত্বকের স্বাস্থ্যের বড় শত্রু।
বিশেষজ্ঞের পরামর্শ: যদি ব্রণ অত্যন্ত বেদনাদায়ক হয় বা মুখে পুজ ও সংক্রমণের চিহ্ন দেখা যায়, তবে দেরি না করে অবশ্যই একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের (Dermatologist) পরামর্শ নিন।