২০১২ সালের সেই কালজয়ী রোম্যান্টিক-কমেডি ‘ককটেল’-এর নস্টালজিয়া ফিরে আসছে বড়পর্দায়। পরিচালক হোমি আদাজানিয়া এবং প্রযোজক দীনেশ বিজনের হাত ধরে আগামী ১৯ জুন মুক্তি পেতে চলেছে এই ফ্র্যাঞ্চাইজির স্পিরিচুয়াল সিক্যুয়েল ‘ককটেল ২’। তবে মুক্তির পাঁচ দিন আগে ছবিটিকে ঘিরে বিনোদন মহলে শুরু হয়েছে শোরগোল। সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশন (CBFC) ছবিটিকে ‘এ’ (প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য) শংসাপত্র দেওয়ায় শুরু হয়েছে তীব্র জল্পনা।
কেন ‘এ’ তকমা? ছবিটি ‘এ’ রেটেড হওয়ায় সাধারণ দর্শকের মধ্যে কৌতূহল তুঙ্গে। শোনা যাচ্ছে, আধুনিক সম্পর্কের জটিল সমীকরণ এবং সম্পর্কের এক ভিন্নধর্মী রসায়নই নাকি এই তকমার মূল কারণ। ইন্ডাস্ট্রি সূত্রের খবর, ছবিটিতে কৃতি শ্যানন এবং রশ্মিকা মন্দানার চরিত্র দুটির মধ্যে সমকামী সম্পর্কের ইঙ্গিত রয়েছে, যা হয়তো সেন্সর বোর্ডের এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে কাজ করেছে। যদিও এ নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্মাতা পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।
কৃতি ও শাহিদের নতুন চমক কেরিয়ারের শুরুতে এই প্রথম কোনো ‘এ’ রেটেড ছবিতে দেখা যাবে কৃতি শ্যাননকে। অন্যদিকে, শাহিদ কাপুরও চলতি বছরে ধারাবাহিকভাবে বেশ কিছু প্রাপ্তবয়স্কদের ছবির পর এবার এই রোম্যান্টিক ড্রামায় ধরা দিতে চলেছেন। ছবির দৈর্ঘ্য রাখা হয়েছে ১৫০ মিনিট, যা ২০১২ সালের মূল ছবির তুলনায় মাত্র ৪ মিনিট বেশি।
নতুন আবহে পুরনো ম্যাজিক? পুরনো ‘ককটেল’-এর আভিজাত্য, মিউজিক অ্যালবাম এবং আধুনিক প্রেমের টানাপোড়েনকে নতুন আঙ্গিকে তুলে ধরেছেন পরিচালক। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবিটির ট্রেলার ও গান নিয়ে ইতিমধ্যেই শোরগোল পড়েছে। কিন্তু সেন্সর বোর্ডের এই সিদ্ধান্তে একদল দর্শক যেমন উচ্ছ্বসিত, তেমনই বড় অংশের মধ্যে প্রশ্ন জেগেছে— তবে কি সম্পর্কের সংজ্ঞা বদলে দিতেই এই আধুনিক ‘ককটেল’?
১৯ জুন প্রেক্ষাগৃহে আসলেই স্পষ্ট হবে কৃতি-রশ্মিকা-শাহিদের এই রসায়ন কতটা ছাপ ফেলতে পারে দর্শকদের মনে।





