মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে ফের চরম উত্তেজনার পারদ। ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সমঝোতার সমস্ত পথ রুদ্ধ হওয়ার পর, এবার সরাসরি সামরিক পদক্ষেপের পথে হাঁটছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। খবর অনুযায়ী, ইরানের তেল ও গ্যাস ক্ষেত্রগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিতে আজ রাতেই দেশটিতে বড়সড় হামলার পরিকল্পনা করছে মার্কিন প্রশাসন।
কেন এই কঠোর পদক্ষেপ? দীর্ঘদিন ধরে ইরান ও আমেরিকার মধ্যে টানাপোড়েন চলছিল। তবে এবার আর কোনো আলোচনা নয়, বরং ইরানের খনিজ সম্পদের বাজার সম্পূর্ণ নিজেদের দখলে নিতেই এমন ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’-এর পথ বেছে নিয়েছেন ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসের অন্দরের খবর অনুযায়ী, ইরানের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দেওয়ার পাশাপাশি বিশ্ব জ্বালানি বাজারে আমেরিকার একাধিপত্য প্রতিষ্ঠা করাই এই হামলার প্রধান লক্ষ্য।
বিশ্ববাজারে কি বড় ধাক্কা? ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের খবর ছড়িয়ে পড়তেই আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম আকাশছোঁয়া হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার এই সামরিক অভিযান শুরু হলে তা দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের দিকে মোড় নিতে পারে, যার প্রভাব সরাসরি পড়বে বিশ্বের অর্থনীতিতে।
তেহরানের প্রতিক্রিয়া: আমেরিকার এই হুমকির মুখে ইরানও চুপ করে নেই। দেশটির সামরিক নেতৃত্ব ইতিমধ্যে হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের যোগ্য জবাব দেওয়া হবে। আজ রাতের এই সম্ভাব্য হামলা ঘিরে এখন গোটা বিশ্ব এক চরম উদ্বেগজনক পরিস্থিতির মুখোমুখি।





