সুপারফুড হিসেবে খ্যাত আমলকী শুধু পুষ্টিগুণে ভরপুর নয়, এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি থেকে শুরু করে হরমোনের ভারসাম্য রক্ষা করতে অপ্রতিদ্বন্দ্বী। ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ঠাসা এই ছোট সবুজ ফলটি আমাদের ত্বকের উজ্জ্বলতা ও চুলের গোড়া মজবুত করতে জাদুর মতো কাজ করে।
অনেকেই আমলকীর রস পান করেন, তবে রস করার ফলে এর ফাইবার বা আঁশ নষ্ট হয়ে যায়, যা হজম ও অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য। অন্যদিকে, আস্ত কাঁচা আমলকী খেলে সবটুকু পুষ্টি পাওয়া গেলেও এর তীব্র টক স্বাদ অনেকের কাছে অসহ্য লাগে এবং বেশি পরিমাণে খেলে হজমের সমস্যা হতে পারে।
পুষ্টিবিদদের মতে, আমলকী খাওয়ার সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি হলো ‘ফার্মেন্টেড’ বা গাঁজন প্রক্রিয়ায় খাওয়া। এটি অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়া বা প্রোবায়োটিক হিসেবে কাজ করে এবং ফাইবারসহ সব ভিটামিন ও খনিজ উপাদান অক্ষুণ্ণ রাখে। আপনি চাইলে প্রতিদিন নিয়ম করে তিনটি থেকে পাঁচটি আমলকী ভালোভাবে চিবিয়ে খেতে পারেন। আমলকী খাওয়ার নির্দিষ্ট কোনো সময় নেই, তবে খালি পেটে বা দিনের যেকোনো সময় এটি অভ্যাসে পরিণত করলে আপনি পাবেন দীর্ঘস্থায়ী সুস্বাস্থ্য। নিজের শরীরের যত্ন নিতে আজ থেকেই এই পুষ্টিকর ফলটি আপনার খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করুন।





