বিধাননগর পুরনিগমে বড়সড় প্রশাসনিক রদবদল। মেয়র পদ থেকে কৃষ্ণা চক্রবর্তীর ইস্তফা দেওয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই ভেঙে দেওয়া হলো বিধাননগর পুরবোর্ড। বর্তমান পরিস্থিতিতে শহর পরিচালনার দায়িত্বে বসানো হলো পুর কমিশনারকে। নবান্নের এই সিদ্ধান্তে রীতিমতো তোলপাড় শুরু হয়েছে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে।
কীভাবে ঘটল এই নাটকীয় পরিবর্তন? কিছুদিন ধরেই বিধাননগর পুরনিগমের অন্দরে চাপানউতোর চলছিল। মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তীর পদত্যাগের পর প্রশাসনিক শূন্যতা তৈরির সম্ভাবনা দেখা দেয়। সেই পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে দ্রুত পদক্ষেপ নেয় রাজ্য সরকার। আইন অনুযায়ী, বোর্ড ভেঙে দিয়ে প্রশাসনিক দায়িত্বভার সরাসরি পুর কমিশনারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
পুরবাসীর জন্য বার্তা: পুরবোর্ড ভেঙে গেলেও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন পরিষেবা যাতে ব্যাহত না হয়, সেদিকে বিশেষ নজর দিচ্ছে প্রশাসন। সূত্রের খবর, পরিষেবা সংক্রান্ত জরুরি কাজগুলো এখন সরাসরি কমিশনারের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। শহর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, জল সরবরাহ এবং অন্যান্য নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বজায় রাখতে ইতিমধ্যে নির্দেশিকা জারি করেছেন তিনি।
রাজনৈতিক চর্চার কেন্দ্রে বিধাননগর: বিধাননগরের মতো গুরুত্বপূর্ণ কর্পোরেশনে এই ধরণের প্রশাসনিক পদক্ষেপ রাজ্য রাজনীতির প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো এই ঘটনাকে ঘিরে শাসকদলের অন্দরের কোন্দলকেই দায়ী করছে, যদিও সরকারিভাবে এটিকে প্রশাসনিক রদবদল বলেই দাবি করা হচ্ছে।
এখন দেখার বিষয়, নতুন এই প্রশাসনিক ব্যবস্থায় বিধাননগরের দৈনন্দিন কাজ কত দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হয়। পরবর্তী পুরভোট না হওয়া পর্যন্ত কমিশনারের নেতৃত্বেই চলবে বিধাননগর পুরনিগমের কাজকর্ম।





