ব্রিটেনের ১৮ বছর বয়সী তরুণ হেনরি নোয়াকের হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের একটি মন্তব্য ঘিরে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে চরম উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ভ্যান্স সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই মর্মান্তিক ঘটনাকে ‘গণ অভিবাসনের’ কুফল হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি দাবি করেন, ইউরোপীয় অভিজাত শ্রেণির ‘আত্ম-ঘৃণার রাজনীতি’ এবং ব্যাপক অভিবাসনের কারণেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত ২৩ বছর বয়সী আসামি ডিগওয়ার সাজা ঘোষণার পর। ডিগওয়া ছুরি মেরে হেনরিকে হত্যা করে পুলিশকে বিভ্রান্ত করার জন্য মিথ্যা তথ্য দিয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে কিছু গোষ্ঠী এটিকে বর্ণবাদী অ্যাঙ্গেল দেওয়ার চেষ্টা করলেও, বাস্তবতা হলো আক্রমণকারী ও ভুক্তভোগী—উভয়ই ব্রিটিশ নাগরিক।
ভ্যান্সের এই হস্তক্ষেপকে ব্রিটিশ সরকার ভালোভাবে নেয়নি। প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের মুখপাত্র কড়া ভাষায় জানান, আমাদের দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বাইরের কারও এই ধরনের মন্তব্য অনভিপ্রেত এবং তা সমাজে বিভেদ সৃষ্টির নামান্তর। হেনরি নোয়াকের পরিবারও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা এই মর্মান্তিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের ঘৃণা বা অস্থিরতা চায় না। তারা বরং শান্তি ও ঐক্য বজায় রাখার আবেদন জানিয়েছে। তবুও, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের এই মন্তব্য বর্তমানে ব্রিটিশ রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় ধরনের বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।





