সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন (CBSE)-এর রেজাল্ট-পরবর্তী পরিষেবা সংক্রান্ত পোর্টালে লাগাতার সাইবার হামলার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এই পরিকল্পিত আক্রমণের প্রেক্ষিতে বোর্ডের অভিযোগের ভিত্তিতে শুক্রবার দিল্লি পুলিশের ইন্টেলিজেন্স ফিউশন অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক অপারেশনস (IFSO) ইউনিটে একটি এফআইআর (FIR) দায়ের করা হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি আইনের নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
কী জানিয়েছে বোর্ড? CBSE প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ২ জুন দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ভেরিফিকেশন এবং উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের পোর্টালটি চালু করা হয়। এর ঠিক পর থেকেই দেশ ও বিদেশের একাধিক আইপি (IP) অ্যাড্রেস থেকে পরিকল্পিতভাবে প্রচুর পরিমাণে ক্ষতিকর ট্র্যাফিক পাঠিয়ে পোর্টালটিকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করা হচ্ছে। বোর্ডের দাবি, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই হামলা চালানো হচ্ছে যাতে বৈধ ব্যবহারকারীরা পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হন এবং দেশের জনশৃঙ্খলার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।
তথ্যের নিরাপত্তা নিয়ে আপডেট: সাইবার হামলার এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই পড়ুয়া ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। তবে এই বিষয়ে আশ্বস্ত করে বোর্ড জানিয়েছে:
ডেটা সুরক্ষিত: বোর্ডের সিস্টেম এবং ডেটাবেস সম্পূর্ণ সুরক্ষিত। কোনো তথ্য চুরি বা অননুমোদিত অ্যাক্সেসের প্রমাণ মেলেনি।
সফল প্রতিরক্ষা: আইআইটি কানপুর, আইআইটি মাদ্রাজ, ডিজিটাল ইন্ডিয়া কর্পোরেশন এবং ইন্ডিয়ান সাইবার ক্রাইম কোঅর্ডিনেশন সেন্টার (I4C)-এর মতো দেশের শীর্ষস্থানীয় সাইবার নিরাপত্তা সংস্থাগুলির সহায়তায় বোর্ড ২৪ ঘণ্টা নজরদারি চালাচ্ছে এবং সমস্ত আক্রমণ সফলভাবে প্রতিহত করেছে।
কেন এই হামলা? প্রাথমিক তদন্তে বোর্ডের ধারণা, কোনো স্বার্থান্বেষী মহল বা দেশবিরোধী শক্তি প্ল্যাটফর্মটিকে অস্থিতিশীল করার জন্য এই সমন্বিত হামলা চালাচ্ছে। দিল্লি পুলিশের সাইবার ইউনিট এখন এই আক্রমণের উৎস এবং নেপথ্যে থাকা চক্রটিকে চিহ্নিত করার কাজে জোর দিয়েছে।
পড়ুয়াদের রেজাল্ট-পরবর্তী পরিষেবা যাতে ব্যাহত না হয়, সে বিষয়ে বোর্ড সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে।





