তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে ভাঙনের জল্পনা এবং দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগ ঘিরে সোমবার রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়াল। বিশেষ করে উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহাকে কেন্দ্র করে চলা জল্পনার প্রেক্ষিতে এবার সরাসরি মুখ খুললেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, “আমিও খেলতে জানি!”
গত কয়েকদিন ধরে শাসকদলের বেশ কয়েকজন বিধায়কের কার্যকলাপ নিয়ে তৃণমূলের অন্দরে কানাঘুষো চলছিল। যেভাবে বিরোধী শিবির থেকে তৃণমূলকে ভাঙার চেষ্টা চলছে এবং তাতে দলের অন্দরের একাংশের ‘যোগসাজশ’ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, তাতেই ক্ষুব্ধ তৃণমূল সুপ্রিমো। নাম না করে বা সরাসরি ইঙ্গিত দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুঝিয়ে দিয়েছেন, বিজেপির এই ‘অপারেশন’ রুখতে তিনি যে কোনো চূড়ান্ত পদক্ষেপ নিতে দ্বিধাবোধ করবেন না।
মমতার এই বিস্ফোরক মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, দলত্যাগী বা দলের নিয়ম ভেঙে ভিন্ন পথে চলা নেতাদের জন্য এটি এক চূড়ান্ত সতর্কবার্তা। ঋতব্রত ও সন্দীপন-সহ যারা সাম্প্রতিককালে দলের নেতৃত্বের সঙ্গে দূরত্ব বাড়িয়েছেন, তাঁদের উদ্দেশ্যে নেত্রীর এই বার্তায় স্পষ্ট—দল ভাঙানোর রাজনীতির পাল্টা কৌশল তৈরি রেখেছেন তিনি।
তৃণমূল নেত্রী এদিন দলীয় বৈঠকে বুঝিয়ে দিয়েছেন, দলের শৃঙ্খলা ভাঙলে রেয়াত করা হবে না। বিজেপির কৌশলকে নস্যাৎ করে আগামী দিনে তিনি যে আরও আক্রমণাত্মক রাজনৈতিক রণকৌশল নিতে চলেছেন, সোমবারের এই মন্তব্য তারই পূর্বাভাস।
সম্পাদকীয় টিপস: ডেইলিহান্টে এই ধরনের খবরের সাথে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি জোরালো বা আত্মবিশ্বাসী ভঙ্গির ছবি ব্যবহার করুন। এছাড়া হাইলাইট বক্সে তাঁর উদ্ধৃতিটি (“আমিও খেলতে জানি!”) বোল্ড করে দিলে তা পাঠকদের নজর কাড়বে।





