মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুরে এক চাঞ্চল্যকর খুনের ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সঞ্জীবনী নগর থানার অন্তর্গত পারাসওয়াড়া এলাকায় ২৮ বছর বয়সী সুরেন্দ্র সিং ওরফে ‘চিংগাম ঠাকুর’-কে তার ভাড়া ঘর থেকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। সুরেন্দ্র শাস্ত্রী নগর গঢ়ার বাসিন্দা ছিলেন এবং প্রাক্তন সরপঞ্চ রাজু প্যাটেলের বাড়িতে তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে কাজ করতেন।
শুক্রবার সকালে মৃতের ভাই অরবিন্দ প্রধান ঠাকুর খাবার নিয়ে ঘরে পৌঁছালে এই নৃশংস ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। ঘরের দরজা আধখোলা অবস্থায় ছিল। ভেতরে গিয়ে অরবিন্দ দেখেন, সুরেন্দ্র রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে আছেন। তাঁর গলায় তোয়ালে জড়ানো ছিল এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছুরির গভীর ক্ষতচিহ্ন দেখা গেছে। মেঝেতে পড়ে থাকা একটি ছুরি এবং ঘরের ছড়ানো-ছিটানো জিনিসপত্র দেখে পুলিশের ধারণা, আক্রমণকারীদের সঙ্গে সুরেন্দ্রর প্রবল ধস্তাধস্তি হয়েছিল।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সুরেন্দ্রর বিরুদ্ধে অতীতে একাধিক ফৌজদারি মামলা ছিল এবং পুলিশ তাকে শহর থেকে বহিষ্কারও করেছিল। বর্তমানে সে পানের দোকান ও ভাঙারির ব্যবসা চালাত। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডের রাতে সুরেন্দ্রর ঘরে একটি পার্টির আয়োজন হয়েছিল। সেখানেই কোনো বিবাদ থেকে সুরেন্দ্রকে শ্বাসরোধ করে এবং ছুরিকাঘাতে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। স্থানীয় যুবক আয়ুষ যাদবসহ বেশ কয়েকজনকে সন্দেহ করছে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ।





