: হাই-ভোল্টেজ চন্দ্রনাথ রথ হত্যাকাণ্ডে এবার আসরে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। মঙ্গলবার বিকেলেই আদালতের নির্দেশে এই চাঞ্চল্যকর খুনের তদন্তভার হাতে নিয়েছে সিবিআই (CBI)। আর দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অ্যাকশন শুরু! সরাসরি ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছেন দুঁদে গোয়েন্দারা। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত সঙ্গী বা পিএ-র (PA) এই রহস্যমৃত্যু এখন রাজ্য রাজনীতির সবচেয়ে বড় চর্চার বিষয়।
তদন্তের প্রথম দিনেই বড় পদক্ষেপ: সূত্রের খবর, মে মাসের এই তপ্ত বিকেলেই সিবিআই-এর একটি বিশেষ দল পৌঁছে গিয়েছে সেই এলাকায়, যেখানে চন্দ্রনাথের নিথর দেহ উদ্ধার হয়েছিল। গোয়েন্দারা প্রথমেই অপরাধের জায়গাটি (Crime Scene) খুঁটিয়ে পর্যবেক্ষণ করছেন। কোনো সূত্র যাতে হাতছাড়া না হয়, তার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তি।
তদন্তের মূল ‘মোটিভ’ কী? সিবিআই-এর নজরে এখন কয়েকটি বড় প্রশ্ন:
এটি কি স্রেফ ব্যক্তিগত শত্রুতা, নাকি এর পেছনে কোনো গভীর রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র রয়েছে?
ঘটনার দিন চন্দ্রনাথের গতিবিধি ঠিক কী ছিল? শেষবার কার কার সাথে ফোনে কথা হয়েছিল তাঁর?
শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ হওয়ার কারণেই কি তাঁকে টার্গেট করা হয়েছিল?
আগের তদন্ত বনাম সিবিআই: রাজ্য পুলিশের তদন্তের পর পরিবার ও বিজেপি নেতৃত্বের পক্ষ থেকে সিবিআই তদন্তের জোরালো দাবি উঠেছিল। অভিযোগ ছিল, স্থানীয় পুলিশ অনেক তথ্য আড়াল করার চেষ্টা করছে। এবার দিল্লির গোয়েন্দারা আসার পর সেই জট খুলবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তদন্তকারীরা ইতিমধ্যেই বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি এবং ডিজিটাল এভিডেন্স সংগ্রহ করেছেন।
শুভেন্দু অধিকারীর প্রতিক্রিয়া: নিজের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ অনুগামীর মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আগেই সরব হয়েছিলেন। সিবিআই তদন্ত শুরু হওয়ার পর বিচার পাওয়ার আশায় বুক বাঁধছেন নিহতের পরিবার ও কর্মী-সমর্থকেরা।
কে এই চন্দ্রনাথ খুনের মাস্টারমাইন্ড? কেনই বা তাঁকে প্রাণ দিতে হলো? গোয়েন্দাদের জালে কি ধরা পড়বে বড় কোনো রাঘববোয়াল? উত্তরের অপেক্ষায় সারা রাজ্য।





