রণবীর কাপুর এবং আলিয়া ভাট— বলিউডের এই পাওয়ার কাপল এখন তাঁদের নতুন বাসভবন ‘কৃষ্ণ রাজ’ বাংলো নিয়ে চর্চায় রয়েছেন। মুম্বইয়ের বুকে প্রায় ২৫০ কোটি টাকা মূল্যের এই রাজকীয় প্রাসাদে মা নীতু কাপুরের সঙ্গেই থাকেন এই তারকা দম্পতি। কিন্তু একই বাড়িতে থাকা সত্ত্বেও ছেলে ও বউমার ব্যক্তিগত জীবনে কি নাক গলান নীতু? সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই নিয়ে মুখ খুললেন খোদ কাপুর বংশের বড় বউ।
শাশুড়ি-বউমার সম্পর্কের রসায়ন নিয়ে সাধারণ মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। বিশেষ করে আলিয়া ও নীতুর ঘনিষ্ঠতা বারবার ক্যামেরায় ধরা পড়লেও, পর্দার আড়ালের সমীকরণটা ঠিক কেমন, তা নিয়ে জল্পনা ছিলই। নীতু কাপুর স্পষ্ট জানিয়েছেন, তিনি আধুনিক মনস্কতায় বিশ্বাসী। একই বাড়িতে থাকলেও রণবীর বা আলিয়ার শোয়ার ঘরে যখন তখন ঢুকে পড়া তাঁর না-পছন্দ।
নীতু কাপুরের কথায়, “আমি নিজের একটা সীমারেখা বজায় রাখতে ভালোবাসি। আমি চাই ওরা ওদের মতো করে সময় কাটাক। আমি মা হতে পারি, কিন্তু ওদের ব্যক্তিগত পরিসর বা প্রাইভেসিতে হস্তক্ষেপ করা আমার স্বভাব নয়।” নীতু আরও যোগ করেন যে, তিনি নিজে যখন তরুণী ছিলেন, তখন তিনিও চাইতেন তাঁর শ্বশুরবাড়ির বড়রা যেন তাঁর ব্যক্তিগত জীবনে জায়গা দেন। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই আজ তিনি আলিয়াকে সেই স্বাধীনতাটুকু দিতে চান।
২৫০ কোটির এই বিশাল বাড়িতে প্রত্যেকের জন্য আলাদা আলাদা স্পেস থাকলেও ডাইনিং টেবিলে বা পারিবারিক আড্ডায় তাঁরা একসঙ্গেই সময় কাটান। কিন্তু বেডরুমের দরজার ওপারে কী চলছে, তা নিয়ে বিন্দুমাত্র কৌতূহল দেখান না নীতু।
বলিউডের এই প্রবীণ অভিনেত্রীর এমন দৃষ্টিভঙ্গি নেটিজেনদের প্রশংসা কুড়োচ্ছে। অনেকেই বলছেন, শাশুড়ি যদি নীতু কাপুরের মতো এতই স্বচ্ছ চিন্তাধারার হন, তবে যেকোনো সংসারই স্বর্গে পরিণত হতে পারে। আলিয়ার সঙ্গে তাঁর এই ‘কুল’ সম্পর্কের রহস্য যে আসলে একে অপরের প্রতি সম্মান এবং প্রয়োজনীয় দূরত্ব বজায় রাখা, তা আবারও প্রমাণ করলেন নীতু।
কাপুর পরিবারের এই অন্দরমহলের কাহিনী এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়ের গতিতে ভাইরাল। ডেইলিয়ান্টের পাঠকদের জন্য প্রশ্ন— আপনার কি মনে হয় সব শাশুড়িরই নীতু কাপুরের মতো এমন হওয়া উচিত? মতামত জানান আমাদের কমেন্ট বক্সে।





