হার্ট অ্যাটাকের ক্ষেত্রে প্রতিটি সেকেন্ড অত্যন্ত মূল্যবান। সামান্য কয়েক মিনিটের দেরি জীবন ও মৃত্যুর মধ্যে ব্যবধান তৈরি করে দিতে পারে। পাঞ্জাবে এখন সময়ের সঙ্গে এই লড়াইয়ে জিতছে মানুষ। মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান সরকারের ‘মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য যোজনা’র অধীনে দ্রুত এবং ক্যাশলেস এনজিওপ্লাস্টি পরিষেবা রোগীদের জন্য জীবনদায়ী হয়ে উঠেছে।
আগে হার্ট অ্যাটাক হলে চিকিৎসার খরচ জোগাড় আর কাগজপত্রের জটিলতায় অনেক মূল্যবান সময় নষ্ট হত। কিন্তু এখন পাঞ্জাবের সরকারি ও তালিকাভুক্ত বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে স্বাস্থ্য কার্ড থাকলেই টাকা ছাড়াই দ্রুত চিকিৎসা শুরু হচ্ছে। বিশেষ করে ‘গোল্ডেন আওয়ার’ বা হার্ট অ্যাটাকের প্রথম ৬০ মিনিটের মধ্যে চিকিৎসা নিশ্চিত হওয়ায় মৃত্যুর হার অনেকটা কমেছে। পরিসংখ্যান বলছে, গত কয়েক মাসে এই প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৪৯.৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫,০৫৪টি হৃদরোগের অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ৫,০০০টি পিটিসিএ (PTCA) বা এনজিওপ্লাস্টি প্রক্রিয়া সফলভাবে করা হয়েছে।
পাঞ্জাবের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডঃ বলবীর সিং জানিয়েছেন, এই প্রকল্পের প্রভাবে এখন সাধারণ মানুষের মধ্যে চিকিৎসার খরচ নিয়ে দ্বিধা কেটে গেছে। পাতিয়ালার রাজিন্দ্রা হাসপাতালের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডঃ সৌরভ শর্মা বলেন, “ক্যাশলেস সুবিধার ফলে পরিবারগুলো দ্রুত সম্মতির অনুমোদন দিচ্ছে, যা আগে অর্থের অভাবে থমকে থাকত।” শুধু বড় শহর নয়, এখন জেলা স্তরেও এই পরিষেবা পৌঁছে যাওয়ায় রোগীদের আর দূরে রেফার করার প্রয়োজন পড়ছে না।





