দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় ভারতীয় সামরিক বাহিনীর মুকুটে যুক্ত হলো আরও একটি সাফল্যের পালক। সাম্প্রতিক ‘অপারেশন সিন্দুর’-এ ভারতীয় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বায়ুসেনার মধ্যে যে নজিরবিহীন সমন্বয় দেখা গিয়েছে, তার ভূয়সী প্রশংসা করলেন প্রাক্তন এয়ার মার্শাল। তিন বাহিনীর এই নিখুঁত বোঝাপড়া আধুনিক যুদ্ধকৌশলের ইতিহাসে এক অনন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, অত্যন্ত প্রতিকূল পরিস্থিতিতে এবং জটিল ভৌগোলিক পরিবেশে এই অপারেশনটি পরিচালিত হয়েছিল। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে শত্রুঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিতে তিন বাহিনী একযোগে ঝাঁপিয়ে পড়ে। একদিকে যখন বায়ুসেনার বিমান আকাশপথে লক্ষ্যভেদ করছিল, তখন স্থলভাগ ও জলপথে ভারতীয় জওয়ানদের তৎপরতা শত্রুপক্ষকে পালানোর কোনো সুযোগই দেয়নি।
এই অপারেশন প্রসঙ্গে প্রাক্তন এয়ার মার্শাল সংবাদমাধ্যমকে জানান, “অপারেশন সিন্দুর প্রমাণ করে দিয়েছে যে, আমাদের তিন বাহিনীর মধ্যে পেশাদারিত্ব এবং বোঝাপড়া কোন পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিশেষ করে ইন্টিগ্রেটেড থিয়েটার কমান্ডের যে লক্ষ্য নিয়ে ভারত এগোচ্ছে, এই সাফল্য তারই প্রতিফলন। কোনো রকম ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই লক্ষ্যপূরণ করা আমাদের সামরিক শক্তির শ্রেষ্ঠত্বকে তুলে ধরে।”
প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘অপারেশন সিন্দুর’ কেবল একটি সামরিক অভিযান নয়, বরং এটি প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর কাছে এক কড়া বার্তা। যেকোনো ধরনের অনুপ্রবেশ বা নাশকতামূলক ছক বানচাল করতে ভারতীয় সেনা যে সবসময় প্রস্তুত, তা এই অপারেশনের মাধ্যমেই স্পষ্ট হয়েছে।
বর্তমানে এই সফল অভিযানের খুঁটিনাটি খতিয়ে দেখছে প্রতিরক্ষা দফতর। জওয়ানদের এই সাহসিকতা এবং তিন বাহিনীর এই সংহতি আগামী দিনে দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও মজবুত করবে বলে আশাবাদী ওয়াকিবহাল মহল। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এই মুহূর্তে ‘অপারেশন সিন্দুর’ নিয়ে দেশবাসীর মধ্যে উন্মাদনা তুঙ্গে।





