২০২৬-এর হাইভোল্টেজ বিধানসভা নির্বাচনের শেষ দফার ভোট মিটতেই এখন সব নজর স্ট্রংরুমের দিকে। সাধারণ মানুষের গণতান্ত্রিক রায়ের আমানত যেখানে রাখা আছে, সেই ইভিএমের নিরাপত্তায় এবার কোনো ফাঁক রাখতে চাইছে না নির্বাচন কমিশন। কারচুপি রুখতে এবং বহিরাগতদের প্রবেশ ঠেকাতে এবার ত্রি-স্তরীয় নিরাপত্তার পাশাপাশি যোগ করা হয়েছে অত্যাধুনিক ‘কিউআর কোড’ প্রযুক্তি।
নিরাপত্তার নতুন বিন্যাস: কমিশন সূত্রে খবর, এবারের গণনাকেন্দ্রে প্রবেশের জন্য সাধারণ পরিচয়পত্রই যথেষ্ট নয়। গণনার কাজে যুক্ত কর্মী থেকে শুরু করে রাজনৈতিক দলের এজেন্ট— প্রত্যেকের জন্য বিশেষ কিউআর কোড (QR Code) সম্বলিত পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কেন্দ্রে প্রবেশের মুখে থাকবে স্ক্যানার মেশিন। কোড মিললে তবেই মিলবে ভেতরে ঢোকার অনুমতি। এই ব্যবস্থার ফলে কোনোভাবেই জাল পরিচয়পত্র নিয়ে কেউ ভেতরে ঢুকতে পারবে না।
পাহাড়ায় ত্রি-স্তরীয় বলয়: শুধুমাত্র ডিজিটাল নিরাপত্তা নয়, স্ট্রংরুমের বাইরে থাকছে কঠোর শারীরিক নজরদারিও। প্রথম স্তরে থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা, দ্বিতীয় স্তরে রাজ্য সশস্ত্র পুলিশ এবং তৃতীয় স্তরে স্থানীয় পুলিশের টিম। সিসিটিভি ক্যামেরার নজরদারিতে ২৪ ঘণ্টা মোড়া থাকবে গোটা চত্বর। কন্ট্রোল রুম থেকে সরাসরি নজর রাখা হবে প্রতিটি মুভমেন্টের ওপর।
কমিশনের কড়া বার্তা: নির্বাচন কমিশনের এক পদস্থ আধিকারিক জানিয়েছেন, “গণনা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা আমাদের প্রধান লক্ষ্য। অচেনা বা অননুমোদিত কোনো ব্যক্তি যাতে গণনাকেন্দ্রের ধারেকাছে পৌঁছাতে না পারে, সেই কারণেই এই কিউআর কোড ভিত্তিক সিস্টেম চালু করা হয়েছে।” কোনো ব্যক্তির পরিচয় নিয়ে সামান্যতম সন্দেহ থাকলেও তাকে প্রবেশাধিকার দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট করা হয়েছে।
ভোটের ফলপ্রকাশের দিন গণনা কেন্দ্রে কী কী পরিবর্তন আসতে চলেছে এবং হাইভোল্টেজ এই লড়াইয়ে পাল্লা ভারী কার— সব খবর সবার আগে পেতে ফলো করুন ডেইলিয়ান্ট। খবরটি শেয়ার করে আপনার মতামত জানান।





