কর্মব্যস্ত বেঙ্গালুরু শহরের একটি বহুতল আবাসন থেকে উদ্ধার হল এক তরুণীর পচন ধরা নগ্ন মৃতদেহ। সোমবার সিলিকন ভ্যালির এক অভিজাত এলাকায় ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা পূজা দত্তার (৩৪) রহস্যমৃত্যুকে কেন্দ্র করে এলাকা জুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘর থেকে ক্রমাগত উৎকট দুর্গন্ধ বেরোতে থাকায় প্রতিবেশীরাই পুলিশে খবর দেন।
ঘটনাস্থলের চিত্র: বীভৎসতাকেও হার মানায়!
পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করতেই হাড়হিম করা দৃশ্য দেখতে পায়। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ঘরের মেঝেতে চাপ চাপ রক্তের মধ্যে পড়ে ছিল পূজার নিথর নগ্ন দেহ। মরদেহে পচন ধরতে শুরু করেছিল। ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের প্রাথমিক অনুমান, দেহ উদ্ধারের অন্তত ৩-৪ দিন আগেই ওই তরুণীর মৃত্যু হয়েছে।
রহস্য বাড়াচ্ছে ‘ছেঁড়া পাতা’ ও ‘বন্ধ দরজা’
প্রাথমিকভাবে পুলিশ মনে করছে, পূজা হয়তো আত্মহত্যা করেছেন, কারণ ফ্ল্যাটের দরজা ভিতর থেকেই বন্ধ ছিল। তবে বেশ কিছু বিষয় রহস্য আরও উসকে দিয়েছে:
উধাও সুইসাইড নোট: ঘর থেকে কোনও সুইসাইড নোট পাওয়া যায়নি।
ছেঁড়া কাগজের রহস্য: ফ্ল্যাটের বিভিন্ন কোণ থেকে ডায়েরির একাধিক ছেঁড়া পাতা উদ্ধার করেছে পুলিশ। কী লেখা ছিল তাতে? পূজা কি কিছু লুকোতে চেয়েছিলেন?
শেষবারের উপস্থিতি: ফ্ল্যাটের মালকিন জানিয়েছেন, গত ৩ বছর ধরে পূজা সেখানে একা থাকতেন। ২৩ এপ্রিল তাঁকে শেষবার মুদিখানার জিনিস কিনতে বাইরে দেখা গিয়েছিল।
অন্যদিকে নৃশংসতা সুরাটে!
বেঙ্গালুরুর এই রহস্যমৃত্যুর ছায়ার মধ্যেই সুরাটে এক ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের খবর সামনে এসেছে। পরকীয়ার সন্দেহে নিজের স্ত্রী শিল্পাকে খুনের দায়ে গ্রেফতার করা হয়েছে বিশাল সালভি (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে। অভিযোগ, স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে খুন করার পর প্রমাণ লোপাটের জন্য দেহটি কাঠের বাক্সে ভরে সিমেন্ট ও ফেনা দিয়ে জমিয়ে দিয়েছিল ওই বেকার যুবক। পেশায় ডায়েটিশিয়ান শিল্পার এই পরিণতিতে স্তম্ভিত গুজরাট।





