পবিত্র শহর বারাণসীতে আধ্যাত্মিক মেজাজে ধরা দিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এবং বিহারের হেভিওয়েট বিজেপি নেতা তথা মন্ত্রী নীতিন নবীন। দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গের অন্যতম পবিত্র স্থান শ্রী কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরে একসঙ্গে পুজো দিলেন এই দুই নেতা। তাঁদের এই মন্দির দর্শন ঘিরে ইতিমধ্যেই উত্তরপ্রদেশ ও বিহার—উভয় রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।
ভক্তি আর রাজনীতির মেলবন্ধন
এদিন প্রথা মেনে নিয়মনিষ্ঠার সঙ্গে বাবা বিশ্বনাথের চরণে জলাভিষেক করেন তাঁরা। মন্দিরের প্রধান পুরোহিতের তত্ত্বাবধানে চলে বিশেষ পুজো ও আরতি।
বিশেষ তদারকি: পুজোর পাশাপাশি বারাণসীর উন্নয়নমূলক কাজ এবং মন্দির সংলগ্ন করিডোর এলাকা ঘুরে দেখেন যোগী আদিত্যনাথ।
সংহতির বার্তা: বিহারের রাজনীতিতে নীতিন নবীন এক প্রভাবশালী নাম। তাঁর এই উত্তরপ্রদেশ সফর এবং খোদ মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে মন্দিরে প্রার্থনা করাকে ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকারের সংহতির প্রতীক হিসেবেই দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।
সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল ছবি
মন্দির চত্বরে দুই নেতার পুজোর ছবি প্রকাশ্যে আসতেই তা ঝড়ের গতিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। গেরুয়া বসনে দুই নেতার এই আধ্যাত্মিক অবতার ভক্তদের মনে আলাদা আবেগ তৈরি করেছে। নীতিন নবীন নিজেই তাঁর অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করে জানিয়েছেন, বাবা বিশ্বনাথের আশীর্বাদ নিয়ে জনসেবার কাজে আরও বেশি শক্তি পাবেন তিনি।
কেন এই সফর গুরুত্বপূর্ণ?
সামনেই একাধিক রাজনৈতিক কর্মসূচি এবং নির্বাচনের আবহ। এই পরিস্থিতিতে বারাণসীর মতো পবিত্র ও রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে এই দুই নেতার উপস্থিতি কেবল ধর্মীয় নয়, বরং সুসংগঠিত রাজনৈতিক রণকৌশলেরও অংশ বলে মনে করা হচ্ছে।
এক নজরে: কাশী বিশ্বনাথ করিডোর হওয়ার পর থেকে ভিভিআইপি মুভমেন্ট উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। যোগী আদিত্যনাথ নিজে নিয়মিত তদারকি করেন যাতে তীর্থযাত্রীদের কোনো অসুবিধা না হয়।





