বঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোট শুরুর আগেই বড়সড় নাশকতার আশঙ্কা প্রকাশ করল শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। সোমবার এক জরুরি সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূলের দুই শীর্ষ নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন এবং শশী পাঁজা দাবি করেছেন, আগামী ১৫০ ঘণ্টা বাংলার রাজনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এই সময়ে রাজ্যে ‘অপ্রিয় পরিস্থিতি’ তৈরি করতে পারে বিজেপি।
৮০০ নেতাকে গ্রেফতারের ছক? তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপি কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলোকে (ED, CBI, NIA) রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করছে। শশী পাঁজার দাবি, প্রায় ৮০০ জন তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করার পরিকল্পনা করা হয়েছে যাতে নির্বাচনের আগে সংগঠনকে দুর্বল করে দেওয়া যায়। এই গ্রেফতারি রুখতে তৃণমূলের পক্ষ থেকে হাইকোর্টে মামলা করার ঘোষণাও করা হয়েছে।
শশী পাঁজার কড়া আক্রমণ:
বাহিনীর দাপট: শশী পাঁজা বলেন, “একজন মহিলাকে (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) আটকাতে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থেকে শুরু করে একাধিক মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যে পড়ে রয়েছেন। এমনকি ২৫০০ আর্মি অফিসারকেও নামিয়ে দিচ্ছে বিজেপি।”
মহিলা প্রকল্প নিয়ে হুঁশিয়ারি: তিনি অভিযোগ করেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে কন্যাশ্রী বা রূপশ্রীর মতো আর্থিক প্রকল্পগুলো বন্ধ করে দিতে চায়। মহারাষ্ট্রের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, সেখানে ‘লাডলি বেহেন’ প্রকল্পে মহিলারা প্রতারিত হয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রীর ঝালমুড়িকে কটাক্ষ: ঝাড়গ্রামে নরেন্দ্র মোদির ঝালমুড়ি খাওয়াকে বিঁধে শশী পাঁজা বলেন, “দিদি মুড়ি খান বলে প্রধানমন্ত্রীও ভাবলেন মুড়ি খেলে হয়তো জনপ্রিয় হওয়া যাবে। আসলে উনি এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে নকল করার চেষ্টা করছেন। ওনার রোড শো-তে অ্যাম্বুলেন্স যাওয়া থেকে শুরু করে সবটাই সাজানো নাটক।”
বিমানে বাধার অভিযোগ: ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন এবং তাঁর স্ত্রী গতকাল ঝাড়গ্রামে সভা করতে পারেননি বলে অভিযোগ তোলেন ডেরেক ও’ব্রায়েন। তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রীর সফরের অজুহাতে তাঁদের বিমান নামতে দেওয়া হয়নি, যা সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক।





