বঙ্গে প্রথম দফার ভোটের ঠিক ৪৮ ঘণ্টা আগে রাজনীতির ময়দান সরগরম এখন ‘ঝালমুড়ি’ বিতর্কে। জঙ্গলমহলে প্রচারের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রীর ঝালমুড়ি খাওয়াকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র বাকযুদ্ধ। সোমবার বীরভূমের মুরারইয়ের সভা থেকে এই ঘটনাকে স্রেফ ‘স্ক্রিপ্টেড নাটক’ বলে উড়িয়ে দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
ক্যামেরা আর মাইক এল কোথা থেকে? ঝাড়গ্রামের সভা শেষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিক্রম সাউ নামে এক বিক্রেতার দোকান থেকে ১০ টাকা দিয়ে ঝালমুড়ি খান। সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই প্রশ্ন তোলেন মমতা। তাঁর আক্রমণাত্মক সওয়াল, “আগে থেকে দোকানে ক্যামেরা আর মাইক ফিট করা ছিল কেন? যে মানুষ গুহায় ধ্যান করতে যান, তাঁর পকেটে ১০ টাকা থাকার গল্প বিশ্বাসযোগ্য নয়।” নেটিজেনদের একাংশও প্রশ্ন তুলেছেন, সাধারণ এক দোকানে ওত ঝকঝকে ক্যামেরা এবং সাউন্ড সিস্টেম এল কীভাবে?
ইভিএম লুট ও গণনায় কারচুপির আশঙ্কা শুধুমাত্র ঝালমুড়ি নয়, ভোটের নিরাপত্তা এবং গণনা নিয়েও বড়সড় আশঙ্কার কথা শুনিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। জঙ্গলমহল ও বীরভূমের সভা থেকে মমতা অভিযোগ করেন:
কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা: তাঁর দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ইভিএম লুট করার।
গণনায় জালিয়াতি: কর্মীদের সতর্ক করে তিনি বলেন, “গণনার সময় সাবধান! আপনি ১০০ ভোট পেলে কম্পিউটারে হয়তো তুলবে ৫। যতক্ষণ না পুরো ভোট কম্পিউটারে উঠছে, কেউ হাল ছাড়বেন না।”
“অহঙ্কারের পতন হবেই” বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে মমতা বলেন, তিন সপ্তাহ পর তৃণমূল সরকারই ক্ষমতায় ফিরছে। তাঁর কথায়, “বিজেপির অহঙ্কারের পতন হবেই। বাংলা থেকেই আমরা দিল্লি দখলের লড়াই শুরু করব এবং শেষ পর্যন্ত গণতন্ত্রের জয় হবে।”





