সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঝালমুড়ি খাওয়ার ছবি। প্রধানমন্ত্রীর সেই ‘রোড-সাইড’ খাবারের ভিডিও যখন ভাইরাল, ঠিক তখনই পাল্টা ময়দানে নামলেন কামারহাটির কালারফুল বিধায়ক মদন মিত্র। সোমবার সকালে অভিনেত্রী শ্রীতমা ভট্টাচার্যকে সঙ্গে নিয়ে মুড়ির দোকানে বসে রীতিমতো ভুরিভোজ সারলেন তিনি। তবে এই মুড়ি খাওয়া নিছক জলযোগ ছিল না, বরং ছিল মোদির বিরুদ্ধে এক রাজনৈতিক প্রতিবাদ।
মোদির ‘নাটক’ রুখতে পাল্টা চাল:
মদন মিত্র এদিন সরাসরি প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করে বলেন, “মোদি যতবার মুড়ির দোকানে গিয়ে নাটক করবেন, পরের দিন সকাল থেকে আমরাও মুড়ি খেতে থাকব।” তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী সাধারণ মানুষের আবেগ নিয়ে খেলছেন। ঝালমুড়ি খেতে খেতে মোদি যে সমস্ত প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মদন।
১৫ লাখ ও ২ কোটি চাকরির খোঁচা:
মুড়ি চিবোতে চিবোতে তৃণমূল বিধায়ক প্রশ্ন তোলেন, “মোদি বলেছিলেন বছরে ২ কোটি চাকরি দেবেন, প্রত্যেকের ব্যাঙ্কে ১৫ লাখ টাকা দেবেন—আজ পর্যন্ত একটা প্রতিশ্রুতিও কি সত্যি হয়েছে? উনি মুড়ি খেতে খেতে মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। কিন্তু তৃণমূল যা বলে, তা করে দেখায়, মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দেয় না।”
গ্ল্যামার ও রাজনীতির মিশেল:
এদিন মদন মিত্রের সঙ্গে অভিনেত্রী শ্রীতমা ভট্টাচার্যের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রধানমন্ত্রীর হাই-প্রোফাইল ঝালমুড়ি খাওয়ার পাল্টা হিসেবে মদনের এই ঘরোয়া মুড়ি খাওয়ার ভিডিও এখন নেটপাড়ায় মোদি-মদন দ্বৈরথকে উসকে দিয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, ভোটের আগে এক ইঞ্চি জমিও যে তৃণমূল ছাড়তে নারাজ, মদনের এই ‘মুড়ি-অ্যাকশন’ তারই প্রমাণ।





