‘সেক্সটিং’ বা সেক্সুয়াল টেক্সটিং—যার মাধ্যমে পার্টনারের সাথে যৌন উত্তেজক মেসেজ, ছবি বা ভিডিও আদান-প্রদান করা হয়। আধুনিক সম্পর্কে এটিকে অনেকেই রোমাঞ্চকর বলে মনে করেন। কিন্তু এর পরিণাম সবসময় আনন্দদায়ক হয় না।
কেন বাড়ছে এই প্রবণতা?
দূরত্বের সম্পর্কে থাকা দম্পতিরা বা নতুন প্রেমে পড়া যুগলরা অনেক সময় সম্পর্কের উত্তেজনা বজায় রাখতে সেক্সটিং-এর সাহায্য নেন। এটি সাময়িকভাবে মস্তিষ্কে ডোপামিন হরমোন নিঃসরণ বাড়ায়, যা ভালো লাগার অনুভূতি তৈরি করে।
ভয়াবহ বিপদসমূহ:
প্রাইভেসির অভাব: আপনি যাকে বিশ্বাস করে ছবি পাঠাচ্ছেন, ভবিষ্যতে সম্পর্ক ভেঙে গেলে তিনি যে সেটির অপব্যবহার করবেন না, তার কোনো গ্যারান্টি নেই। একে বলা হয় ‘রিভেঞ্জ পর্ন’।
ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট: ইন্টারনেটে একবার কোনো কিছু আপলোড বা আদান-প্রদান করলে তা চিরস্থায়ী হয়ে যায়। হ্যাকারদের কবলে পড়ে আপনার ব্যক্তিগত মুহূর্ত পাবলিক হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে ১০০ শতাংশ।
মানসিক চাপ: একবার ছবি পাঠিয়ে দেওয়ার পর অনেক সময় অপরাধবোধ বা কেউ দেখে ফেলার ভয় তাড়া করে বেড়ায়, যা গভীর উদ্বেগের কারণ হতে পারে।
সতর্কতা:
যদি সেক্সটিং করতেই হয়, তবে এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপ্টেড অ্যাপ ব্যবহার করুন এবং কখনও মুখমণ্ডল বা শরীরের বিশেষ চিহ্ন বোঝা যায় এমন ছবি পাঠাবেন না। মনে রাখবেন, মুহূর্তের আনন্দ যেন সারা জীবনের আক্ষেপ না হয়ে দাঁড়ায়।





