আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির আশায় বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের চড়া দামে কিছুটা রাশ পড়ল। আর তেলের দাম কমতেই সোমবার সপ্তাহের শুরুতে মার্কিন শেয়ারবাজার ওয়াল স্ট্রিট তার প্রাথমিক দুর্বলতা কাটিয়ে ফের ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক কিছু দাবি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, পাকিস্তানে সপ্তাহান্তের আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর ইরানের প্রতিনিধিরা স্বয়ং তাঁকে ফোন করেছেন এবং একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য তীব্র আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। ইরানের আমদানির ওপর কঠোর অবরোধের কারণে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেলেও, এই আলোচনার খবরের পর তা কিছুটা স্থিতিশীল হয়েছে। স্পার্টান ক্যাপিটাল সিকিউরিটিজের পিটার কার্ডিলো বলেন, “বাজার এখন এই আশায় বুক বাঁধছে যে ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত কোনো না কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারবেন।”
তবে এই আশার মাঝেই যুদ্ধের মেঘ পুরোপুরি কাটেনি। সোমবারই ট্রাম্প সতর্ক করে দিয়েছেন যে, মার্কিন নৌ অবরোধের কাছে আসা কোনো ইরানি আক্রমণকারী নৌকা দেখা গেলে তা তৎক্ষণাৎ ধ্বংস করা হবে। ১৩ এপ্রিল সোমবার নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ ট্রাম্প দাবি করেন, রবিবার হরমুজ প্রণালী দিয়ে রেকর্ড সংখ্যক ৩৪টি জাহাজ চলাচল করেছে, যা পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের আবহে সর্বোচ্চ। যদিও এই তথ্যের সত্যতা এখনও স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।





