বিহারের জেহানাবাদ জেলায় পাঁচ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় সামনে এল রোমহর্ষক তথ্য। গত ৬ এপ্রিল একটি বেসরকারি স্কুলের হস্টেল থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার হয়েছিল ওই শিশুটি। তার গলার নলি কাটা ছিল। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
পুলিশি তদন্তে প্রথমে হস্টেল অপারেটর তরুণ কুমারকে গ্রেফতার করা হলেও, পরবর্তীকালে তদন্তের মোড় ঘুরে যায়। পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) সিসিটিভি ফুটেজ ও পারিপার্শ্বিক তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে হস্টেলের ক্যান্টিন গার্ড মুকেশ কুমারকে জেরা করতেই বেরিয়ে আসে আসল সত্যি। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে স্পষ্ট হয়েছে যে, খুনের আগে শিশুটির ওপর ভয়াবহ যৌন নির্যাতন চালানো হয়েছিল।
জেরায় ধৃত মুকেশ স্বীকার করেছে, হস্টেল অপারেটর তরুণ কুমারের সঙ্গে তার বিবাদ ছিল। তাকে ফাঁসাতে এবং হস্টেলটি বন্ধ করে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই সে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটায়। অভিযুক্তের স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে যাওয়ায় সে মানসিক বিকৃতির শিকার হয়েছিল বলেও জানা গেছে। বর্তমানে পুলিশ ঘাতক গার্ডকে গ্রেফতার করে আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে।





