আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর বিশ্ব বাজারে অপরিশোধিত তেলের দামে বড়সড় পতন লক্ষ্য করা গিয়েছে। গত এক সপ্তাহে তেলের দাম কমেছে প্রায় ১৩ শতাংশ, যা ২০২০ সালের পর বা গত ৬ বছরের মধ্যে বৃহত্তম সাপ্তাহিক পতন। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি ৯৫ ডলারে নেমে এলেও বাজার এখনও অস্থির।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পতন সাময়িক হতে পারে। র্যাপিডান এনার্জি গ্রুপের চেয়ারম্যান বব ম্যাকন্যালি সতর্ক করেছেন যে, মৌখিক আশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে বাজার স্থিতিশীল হওয়া কঠিন। এদিকে হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় এবং জ্বালানি পরিকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সরবরাহ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত। পরিস্থিতি সামাল দিতে জাপান তার কৌশলগত মজুত থেকে ২০ দিনের তেল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, চীনও তাদের বাণিজ্যিক মজুত ব্যবহারের সবুজ সংকেত দিয়েছে। ভারতেও বড় বেসরকারি শোধনাগারগুলি পাম্পে জ্বালানি বিক্রির সীমা নির্ধারণ শুরু করেছে।
রাজনৈতিক টানাপোড়েনও তুঙ্গে। ডোনাল্ড ট্রাম্প সোশ্যাল মিডিয়ায় ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, তাদের হাতে আর কোনো ‘কার্ড’ নেই। এমনকি আলোচনা ব্যর্থ হলে মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলিকে নতুন আক্রমণের জন্য প্রস্তুত রাখার বার্তাও দিয়েছেন তিনি। এই পরিস্থিতিতে শনিবার ইসলামাবাদে ইরানি আধিকারিকদের সঙ্গে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের বৈঠক তেলের বাজারের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে।





