আধুনিক যুদ্ধের রণকৌশলে নিজেদের অপরাজেয় করে তুলতে বড়সড় পদক্ষেপ নিল ভারতীয় সেনাবাহিনী। স্থলসেনাদের আকাশপথে সুরক্ষা ও সরাসরি সহায়তা (Close Air Support) দিতে এবার সেনার অস্ত্রাগারে যুক্ত হলো নতুন পেশিশক্তি। একদিকে সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী বেঙ্গালুরুতে হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (HAL)-এ গিয়ে ওড়ালেন দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি লাইট কমব্যাট হেলিকপ্টার ‘প্রচণ্ড’। অন্যদিকে, রাজস্থানের পোখরানে প্রথমবারের মতো গর্জে উঠল আমেরিকার তৈরি ঘাতক AH-64 অ্যাপাচি হেলিকপ্টার।
পোখরান ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে অ্যাপাচি হেলিকপ্টারটি তার নিখুঁত নিশানায় লক্ষ্যভেদ করে বিশ্বকে চমকে দিয়েছে। অত্যাধুনিক ‘হেলফায়ার’ মিসাইল এবং রকেট ব্যবহার করে চোখের পলকে কাল্পনিক শত্রুপক্ষকে গুঁড়িয়ে দেয় এই ‘ফ্লাইং ট্যাঙ্ক’। বিশেষ করে ড্রোন হামলা এবং কাঁধে বহনযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রের মোকাবিলায় অ্যাপাচি কতটা কার্যকর, তা এই মহড়ায় প্রমাণিত হয়েছে।
এই দুই শক্তিশালী হেলিকপ্টার সেনাবাহিনীতে যুক্ত হওয়ায় যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি বদলে যাবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ‘প্রচণ্ড’ যেখানে ভারতের ‘আত্মনির্ভর’ প্রতিরক্ষা শক্তির প্রতীক, সেখানে ‘অ্যাপাচি’ তার উন্নত সেন্সর ও ফায়ার কন্ট্রোল সিস্টেমের মাধ্যমে রিয়েল-টাইম তথ্য আদান-প্রদান করতে সক্ষম। এর ফলে দুর্গম সীমান্তে বা প্রতিকূল পরিস্থিতিতে ভারতীয় সেনাবাহিনী আগের চেয়ে অনেক বেশি দ্রুত ও নিখুঁতভাবে প্রত্যাঘাত হানতে পারবে।





