বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের উত্তাপ এখন তুঙ্গে। নন্দীগ্রামের হাই-ভোল্টেজ লড়াইয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার খোদ মমতার খাসতালুক ভবানীপুর নিয়ে বড় ভবিষ্যদ্বাণী করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর দাবি, নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর পর এবার ভবানীপুরেও শুভেন্দু অধিকারীই শেষ হাসি হাসবেন।
নন্দীগ্রামের পুনরাবৃত্তির দাবি: এদিন একটি রাজনৈতিক জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী মোদী তৃণমূল নেত্রীকে সরাসরি আক্রমণ করে বলেন, “দিদি ভেবেছিলেন নন্দীগ্রামে গিয়ে জয়ী হওয়া সহজ হবে, কিন্তু শুভেন্দু তাঁকে বুঝিয়ে দিয়েছেন বাংলার মানুষ কী চায়। নন্দীগ্রামের সেই হারের পর দিদি এখন ভবানীপুর নিয়ে চিন্তিত। কিন্তু আমি জোর গলায় বলছি, ওখানেও জয় হবে শুভেন্দু অধিকারীর।”
শুভেন্দুর ওপর ভরসা মোদীর: রাজনৈতিক মহলের মতে, শুভেন্দু অধিকারীকে যেভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে তুলে ধরছেন মোদী, তাতে বঙ্গ বিজেপির কর্মীদের মনোবল আরও তুঙ্গে উঠবে। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, তৃণমূলের ‘গড়’ বলে পরিচিত এলাকাগুলোতেও গেরুয়া শিবির এবার সমানে সমানে টক্কর দিতে প্রস্তুত।
তৃণমূলের পাল্টা জবাব: প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পর পাল্টা তোপ দেগেছে তৃণমূল কংগ্রেসও। ঘাসফুল শিবিরের দাবি, ভবানীপুর মমতার নিজের ঘরের জায়গা, সেখানে বাইরের কারোর প্ররোচনা কাজ করবে না। মানুষ উন্নয়নের নিরিখেই দিদিকে ভোট দেবেন।
তবে প্রধানমন্ত্রীর এই আত্মবিশ্বাসী মন্তব্য এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। নন্দীগ্রামের সেই কাঁটায় ভরা লড়াইয়ের পর ভবানীপুর কি সত্যিই বড় কোনো অঘটন দেখবে? মোদীর এই ভবিষ্যদ্বাণী বাস্তবায়িত হবে কি না, তার উত্তর এখন সময়ের অপেক্ষা।





