কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থায় কর্মরত শাশুড়ির মৃত্যুর পর তাঁর সমস্ত সুযোগ-সুবিধা এবং চাকরি পুত্রবধূকে দেওয়ার এক নজিরবিহীন নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবার বিচারপতি অমৃতা সিনহা নির্দেশ দেন, ন্যাশনাল কোল ওয়েজ এগ্রিমেন্ট (NCWA) অনুযায়ী ইস্টার্ন কোল ফিল্ডস লিমিটেড (ECL) কর্তৃপক্ষকে হয় ওই পুত্রবধূকে চাকরি দিতে হবে, নচেৎ ২০১১ সাল থেকে প্রাপ্য সমস্ত বকেয়া এবং মাসিক ক্ষতিপূরণের টাকা (MMCC) আগামী ১২ সপ্তাহের মধ্যে মিটিয়ে দিতে হবে।
পশ্চিম বর্ধমানের বাসিন্দা রেখি নাহক ইসিএল-এ কর্মরত থাকাকালীন ২০১১ সালে মারা যান। তাঁর মৃত্যুর কয়েক মাসের মধ্যেই চাকরি পাওয়ার আগে তাঁর ছেলেরও মৃত্যু হয়। এরপর পুত্রবধূ সুনীতা নাহক শাশুড়ির চাকরির দাবিতে আবেদন জানালে ইসিএল তা খারিজ করে দেয়। সংস্থার যুক্তি ছিল, পুত্রবধূ সরাসরি মৃত কর্মীর ওপর নির্ভরশীল নন। কিন্তু হাইকোর্টে সুনীতার আইনজীবী প্রলয় ভট্টাচার্য জানান, শাশুড়ি ও স্বামী— উভয়ের মৃত্যুতে সুনীতা চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন। মৃত রেখির তিন কন্যা থাকলেও তাঁরা এই সুবিধায় কোনো আপত্তি জানাননি। পরিস্থিতি বিবেচনা করে আদালত পুত্রবধূর পক্ষেই রায় দিয়েছে।





