প্রয়াগরাজের মৌআইমা এলাকায় এক হাড়হিম করা পারিবারিক সহিংসতার ঘটনা সামনে এসেছে। নিজের দেওরের ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়ে তাঁর গোপনাঙ্গ শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার অভিযোগে মঞ্জু নামে এক মহিলাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত ১৬ অক্টোবর রাতে মালখানপুর গ্রামে ঘটে যাওয়া এই নৃশংস ঘটনাটি প্রথমে রহস্যে মোড়া থাকলেও, তদন্তের পর বেরিয়ে এসেছে এক চরম প্রতিশোধের কাহিনী।
তদন্তে জানা গিয়েছে, মঞ্জুর ছোট বোনের সঙ্গে তাঁর দেওর উমেশের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। দুজনে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিলেও পারিবারিক আপত্তিতে উমেশ সেই সম্পর্ক থেকে সরে আসেন এবং অন্য এক মহিলার প্রতি আগ্রহ দেখান। প্রেমে প্রত্যাখ্যাত হয়ে মঞ্জুর বোন মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। নিজের বোনের এই শোচনীয় দশা দেখে উমেশের ওপর চরম প্রতিহিংসা জন্মায় মঞ্জুর। পুলিশের দাবি, বোনের কষ্টের বদলা নিতেই গত ১৬ অক্টোবর মাঝরাতে ঘুমন্ত উমেশের ঘরে ঢুকে ছুরি নিয়ে হামলা চালান তিনি।
উমেশের আর্তনাদে পরিবারের সদস্যরা ছুটে এলে মঞ্জু গা ঢাকা দেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় উমেশকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, যেখানে দীর্ঘ দেড় ঘণ্টার জটিল অস্ত্রোপচারের পর তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল হয়েছে। এসিপি বিবেক কুমার যাদব জানিয়েছেন, জিজ্ঞাসাবাদের সময় মঞ্জুর বয়ানে অসংগতি ধরা পড়লে সত্য সামনে আসে। বোনের জীবন নষ্ট করার দায়ে তিনি এই জঘন্য কাজ করেছেন বলে স্বীকার করেছেন। ধৃত মহিলাকে বর্তমানে জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।





