পাহাড়ের বাঁকে বাঁকে কু-ঝিকঝিক শব্দে এগিয়ে চলা টয়ট্রেন এবার উপার্জনের ট্র্যাকেও রেকর্ড গতিতে ছুটছে। বিগত ১৪২ বছরের সমস্ত ইতিহাস ধুলিসাৎ করে যাত্রী সংখ্যা এবং আয়ের দিক থেকে এক অভূতপূর্ব রেকর্ড গড়ল দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে (DHR)। পর্যটন মৌসুমে পাহাড়ের এই হেরিটেজ ট্রেনের চাহিদা এখন আকাশছোঁয়া।
রেকর্ড ভাঙা পরিসংখ্যান: রেলওয়ে সূত্রের খবর, গত অর্থবর্ষে ডিএইচআর-এর মোট যাত্রী সংখ্যা এবং অর্জিত রাজস্বের পরিমাণ আগের সব বছরকে ছাড়িয়ে গিয়েছে। ডিএইচআর-এর ইতিহাসে এই প্রথম এত কম সময়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগৃহীত হয়েছে। বিশ্বজুড়ে পর্যটকদের আনাগোনা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলেই এই অভূতপূর্ব সাফল্য এসেছে বলে মনে করছেন উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের আধিকারিকরা।
কেন এই বিপুল জোয়ার?
উন্নত পরিষেবা: নতুন ভিস্তাডোম কোচ এবং স্টিম ইঞ্জিনের জয়রাইড পর্যটকদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করেছে।
বিদেশের পর্যটক: ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজের তকমা থাকায় বিদেশের পর্যটকদের সংখ্যা আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে।
সোশ্যাল মিডিয়া ট্রেন্ড: পাহাড়ের মেঘের আনাগোনায় টয়ট্রেনের ভিডিও ও ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়াকেও এই সাফল্যের অন্যতম কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে।
রেল কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া: ডিএইচআর-এর এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানিয়েছেন, “এই সাফল্য আমাদের আরও উৎসাহিত করেছে। পর্যটকদের সুবিধার্থে আরও কোচ বাড়ানো এবং জয়রাইডের সংখ্যা বৃদ্ধির পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।” ১৪২ বছর আগে চালু হওয়া এই ন্যারোগেজ লাইন আজও যে কতটা প্রাসঙ্গিক, এই রেকর্ডই তার প্রমাণ।
কম ডেটা ব্যবহার করে খবরের আপডেট পেতে: পাহাড়ের কুয়াশা বা মেঘের খবর হোক অথবা ট্রেনের আপডেট— ডেইলিয়ান্ট-এ খুব কম ডেটা খরচ করে পান সব খবরের খুঁটিনাটি। আমাদের ‘ডেটা সেভার’ মোড অন রাখুন এবং সাশ্রয়ীভাবে আপডেট থাকুন সবার আগে।





