বাংলার মসনদ দখলে শুরু হয়েছে চূড়ান্ত কাউন্টডাউন। নির্বাচন কমিশনের তৎপরতার মাঝেই রাজ্য রাজনীতির পারদ চড়াচ্ছে ২৯৪টি আসনের মধ্যে বিশেষ ১০টি কেন্দ্র।
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রাম: হাই-ভোল্টেজ মহারণ
দক্ষিণ কলকাতার ভবানীপুরে ফের মুখোমুখি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারী। একদিকে ঘরের মেয়ে মমতার সম্মান রক্ষা, অন্যদিকে গেরুয়া শিবিরের মেগাপ্ল্যান। তবে চমক আরও আছে, নন্দীগ্রামের ‘ভূমিপুত্র’ শুভেন্দু এবার একইসাথে লড়ছেন নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর থেকে। নন্দীগ্রামে তাঁর লড়াই নিজেরই একসময়ের ঘনিষ্ঠ পবিত্র করের সঙ্গে।
আরজি করের প্রভাব ও নতুন মুখপানিহাটি আসনে বিজেপি প্রার্থী করেছে আরজি করের নির্যাতিতা ‘অভয়া’র মা রত্না দেবনাথকে, যেখানে বামেদের মুখ আন্দোলনের পরিচিত মুখ কলতান দাশগুপ্ত। আবার উত্তরপাড়ায় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছেলে শীর্ষাণ্যের বিরুদ্ধে লড়ছেন বাম নেত্রী মীনাক্ষী মুখার্জি।
তারকা ও সাধারণের লড়াইরাসবিহারীতে ইতিহাসবিদ স্বপন দাশগুপ্তের বিরুদ্ধে তৃণমূলের বাজি দেবাশিস কুমার। অন্যদিকে আউশগ্রামে গৃহকর্মী কলিতা মাজি হয়ে উঠেছেন বিজেপির তুরুপের তাস। বহরমপুরে অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার লড়াইয়ে তিন দশক পর বিধানসভা ভোটে নেমেছেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী।
মতুয়া ভোটব্যাঙ্ক নিয়ে বাগদায় ঠাকুর পরিবারের অন্দরের লড়াই (মধুপর্ণা বনাম সোমা) এবং কালীগঞ্জে সন্তানহারা মা সাবিনা ইয়াসমিনের লড়াই এবারের নির্বাচনকে অন্য মাত্রা দিয়েছে। উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার শিলিগুড়িতেও মেয়র গৌতম দেবের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিচ্ছেন শঙ্কর ঘোষ।





