আইপিএল ২০২৬-এর মঞ্চে চেন্নাই সুপার কিংস (CSK) মানেই এক অন্য উন্মাদনা। কিন্তু মরসুমের গুরুত্বপূর্ণ বাঁকে দাঁড়িয়ে ধোনি-রুতুরাজদের জন্য অশনি সংকেত দেখছেন প্রাক্তন ভারতীয় তারকা ইরফান পাঠান। রাজস্থান রয়্যালস অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন যে কোনো দলের জন্য বড় বিপদ হলেও, ইরফানের মতে সিএসকের আসল সমস্যা লুকিয়ে রয়েছে তাদের নিজেদের ডাগআউটেই।
কে সেই খেলোয়াড়? ইরফান পাঠানের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে এক চমকপ্রদ নাম। সিএসকে-র বর্তমান লাইনআপে ধারাবাহিকতার অভাব এবং নির্দিষ্ট কিছু পজিশনে সঠিক ক্রিকেটারের অভাব নিয়ে সরব হয়েছেন তিনি। পাঠানের মতে, প্রতিপক্ষ দলের চেয়েও সিএসকে-র কাছে এখন বড় চ্যালেঞ্জ তাদের ডেথ ওভার বোলিং এবং মিডল অর্ডার ফিনিশিং।
ইরফান পাঠানের যুক্তি: সঞ্জু স্যামসন বা অন্য কোনো প্রতিপক্ষ ব্যাটারকে আটকানোর চেয়েও সিএসকে-র নিজের ঘরের ফাঁকফোকর মেরামত করা বেশি জরুরি বলে মনে করেন এই প্রাক্তন অলরাউন্ডার। তিনি জানান:
ইমপ্যাক্ট প্লেয়ারের অভাব: মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা এবং ইনিংসের শেষ দিকে ঝড় তোলা নিয়ে সিএসকে-র নির্দিষ্ট কিছু প্লেয়ার প্রত্যাশা পূরণ করতে পারছেন না।
বোলিং ইউনিটের ফাটল: তুষার দেশপাণ্ডে বা মাথিশা পাথিরানার ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা সিএসকের জন্য বুমেরাং হতে পারে। বিশেষ করে মরণ-বাঁচন ম্যাচে অভিজ্ঞ বোলারের অভাব স্পষ্ট হয়ে উঠছে।
আগামী ম্যাচের রণকৌশল: কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে হাই-ভোল্টেজ ম্যাচের আগে পাঠানের এই পর্যবেক্ষণ চেন্নাই শিবিরের জন্য বড় সতর্কতা। ইরফান স্পষ্ট বলেছেন, “আপনি যদি সঞ্জু স্যামসনের মতো মারকুটে ব্যাটারকে নিয়ে বেশি ভাবেন, তবে নিজের দলের দুর্বলতা ঢাকার সময় পাবেন না। সিএসকের উচিত নিজেদের বোলিং কম্বিনেশনে দ্রুত বদল আনা।”
ধোনির মগজাস্ত্র কি কাজ করবে? যদিও গ্যালারিতে ‘ধোনি ধোনি’ চিৎকারে মাঠ কাঁপছে, তবে মাঠের লড়াইয়ে ‘ক্যাপ্টেন কুল’ কীভাবে এই সমস্যার সমাধান করেন, সেটাই এখন দেখার। পাথানের এই মন্তব্য সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হতে সময় নেয়নি। সিএসকে ভক্তদের একাংশ যখন পাঠানের সঙ্গে একমত, অন্য অংশ আবার বলছেন— মাহি হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়!





