কাজ নেই, শুধু ফোন ঘাঁটা! অফিসের আসল সত্য ফাঁস করলেন IIT প্রাক্তনী? তোলপাড় নেটপাড়া!

বর্তমান যুগে কর্পোরেট কালচার মানেই কি শুধু ল্যাপটপের আড়ালে ফোন স্ক্রল করা? এমনই এক বিতর্কিত দাবি করে সোশ্যাল মিডিয়ায় আগুনের মতো ঘি ঢাললেন এক আইআইটি (IIT) গ্র্যাজুয়েট। তাঁর দাবি— “অফিসে কাজ করার চেয়ে রিলস দেখা বা ভিডিও স্ট্রিমিং করাতেই বেশি সময় কাটান কর্মীরা!” তাঁর এই অদ্ভুত মন্তব্য ঘিরেই এখন নেটদুনিয়ায় শুরু হয়েছে তীব্র বাদানুবাদ।

ঠিক কী বলেছেন ওই যুবক? সম্প্রতি একটি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ওই আইআইটি প্রাক্তনী দাবি করেন, নামী দামী কোম্পানির কর্পোরেট অফিসের পরিবেশ এখন অনেকটাই বদলে গেছে। তাঁর পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, অনেক কর্মীই অফিসে ৮-৯ ঘণ্টা কাটানোর দাবি করলেও তার বড় একটা অংশ ব্যয় হয় ইনস্টাগ্রাম রিলস, ইউটিউব শর্টস বা ওটিটি প্ল্যাটফর্মে ভিডিও দেখে। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন কর্মদক্ষতা এবং কাজের নৈতিকতা নিয়ে।

কেন এই দাবি? ওই যুবকের মতে, ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ কালচার শেষ করে যখন কর্মীদের অফিসে ফেরানো হয়েছে, তখন অনেকেই অফিসের কাজকে একঘেয়ে মনে করছেন। ফলে মনোযোগ ধরে রাখতে তারা বারংবার ফোনের স্ক্রিনে ঝুঁকছেন। তিনি আরও যোগ করেন যে, অনেক ক্ষেত্রেই কাজের চাপের চেয়ে ‘ব্যস্ত থাকার অভিনয়’ করাটাই এখন বড় ট্রেন্ড হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়ের গতিতে প্রতিক্রিয়া: এই পোস্টটি ভাইরাল হতেই দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে গেছে নেটপাড়া:

  • এক পক্ষ বলছে: “একদম ঠিক কথা! অনেক অফিসে প্রকৃত কাজের চেয়ে আড্ডা আর রিলস দেখাই বেশি হয়।”

  • অন্য পক্ষ বলছে: “IIT গ্র্যাজুয়েট হলেই সব জানা যায় না। কাজের ফাঁকে ছোট বিরতি নেওয়া মানেই কাজ ফাঁকি দেওয়া নয়। আধুনিক কর্পোরেট জীবনে মানসিক চাপ কমাতে এটুকু বিনোদন প্রয়োজন।”

পেশাদার দৃষ্টিভঙ্গি: বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরণের মন্তব্য বর্তমান প্রজন্মের ‘অ্যাটেনশন স্প্যান’ বা মনোযোগের ক্ষমতার ঘাটতিকে নির্দেশ করছে। তবে একজন উচ্চশিক্ষিত তরুণের এমন ঢালাও মন্তব্যে অনেক সিনিয়র অফিসার ও কোম্পানি মালিকরা অসন্তুষ্ট।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy