আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে যষ্টিমধু এক অনন্য ‘সুপারফুড’ হিসেবে পরিচিত। সর্দি-কাশি থেকে শুরু করে পেটের সমস্যা—সবকিছুর সমাধানেই এর জুড়ি মেলা ভার। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, এতে থাকা গ্লিসারাইজিং অ্যাসিড শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে অসামান্য ভূমিকা রাখে। লিভার সুরক্ষা এবং ত্বকের জেল্লা ফেরাতেও যষ্টিমধু জাদুর মতো কাজ করে।
উপকারিতা: এটি ফুসফুসের প্রদাহ কমায় এবং গলার খুসখুসে ভাব দূর করে। হজমের সমস্যা বা অ্যাসিড রিফ্লাক্স কমাতে এটি প্রাকৃতিক অ্যান্টাসিড হিসেবে কাজ করে। এছাড়া স্ট্রেস কমাতে এবং হার্টের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে যষ্টিমধু অত্যন্ত কার্যকর।
খাওয়ার নিয়ম: যষ্টিমধুর গুঁড়ো হালকা গরম জলে বা মধুর সাথে মিশিয়ে সকালে খালি পেটে খেতে পারেন। এছাড়া চায়ের সাথে মিশিয়ে লিকার চা হিসেবেও এটি পান করা যায়। তবে মনে রাখবেন, উচ্চ রক্তচাপ বা গর্ভাবস্থায় এটি সেবনের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।





