ইরান যুদ্ধের উত্তেজনার মধ্যেই মার্কিন সামরিক নেতৃত্বে নজিরবিহীন রদবদল ঘটাল ট্রাম্প প্রশাসন। শুক্রবার মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ সেনাপ্রধান (চিফ অফ স্টাফ) জেনারেল র্যান্ডি জর্জকে অবিলম্বে পদত্যাগ ও অবসর নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। ২০২৩ সালে বাইডেন জমানায় দায়িত্ব নেওয়া জেনারেল জর্জের মেয়াদ ২০২৭ সাল পর্যন্ত থাকলেও, তাঁর আকস্মিক বিদায়ে পেন্টাগনে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পারনেল জানিয়েছেন, জেনারেল জর্জের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন জেনারেল ক্রিস্টোফার লানেভে। তবে এই রদবদল কেবল র্যান্ডি জর্জের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি; ট্রেনিং অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন কমান্ডের প্রধান জেনারেল ডেভিড হডনে এবং চিফ অফ চ্যাপলিন্স মেজর জেনারেল উইলিয়াম গ্রিনকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সূত্রের দাবি, ট্রাম্পের সামরিক দৃষ্টিভঙ্গি ও ‘লয়ালটি’র প্রশ্নেই এই গণছাঁটাই। উল্লেখ্য, র্যান্ডি জর্জ একসময় প্রাক্তন প্রতিরক্ষা সচিব লয়েড অস্টিনের সামরিক উপদেষ্টা ছিলেন, যা বর্তমান প্রশাসনের অপছন্দের অন্যতম কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রতিরক্ষা সচিব হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই পিট হেগসেথ পেন্টাগনের খোলনলচে বদলে দেওয়ার কাজ শুরু করেছেন। গত ফেব্রুয়ারিতে নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল লিসা ফ্রাঞ্চেটি এবং যৌথ বাহিনীর প্রধান জেনারেল চার্লস ব্রাউনকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ইরান যুদ্ধের এই নির্ণায়ক মুহূর্তে মার্কিন সামরিক শীর্ষস্তরে এই বড় মাপের রদবদল আমেরিকার প্রতিরক্ষা কৌশলে কোনও বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত কি না, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।





