রাজ্যের সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুল, মাদ্রাসা এবং বিভিন্ন দফতরের কর্মীদের জন্য অবশেষে এল দীর্ঘ প্রতীক্ষিত স্বস্তির খবর। বকেয়া মহার্ঘভাতা (DA) মেটানোর প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করল রাজ্য সরকার। বুধবার নবান্নে অর্থসচিব প্রভাতকুমার মিশ্রের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে স্কুলশিক্ষা, উচ্চশিক্ষা, পঞ্চায়েত ও পুরসভার মতো একাধিক দফতরের শীর্ষ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। মূলত, এই দফতরগুলির অধীনে থাকা কর্মী ও পেনশনভোগীদের বকেয়া মেটানোর আর্থিক রূপরেখা তৈরি করতেই এই বৈঠক।
অন্যদিকে, মাদ্রাসা ডিরেক্টরেট ইতিমধ্যেই রাজ্যের সমস্ত জেলা স্কুল পরিদর্শকদের (DI) কাছে জরুরি নির্দেশিকা পাঠিয়ে ২০০৮ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত বকেয়া ডিএ-র বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছে। কতজন শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর টাকা বকেয়া রয়েছে এবং তার মোট পরিমাণ কত, তা দ্রুত জানাতে বলা হয়েছে। সরাসরি সরকারি কর্মীদের বকেয়া মেটানো শুরু হলেও সাহায্যপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা এতদিন বঞ্চিত ছিলেন, যা নিয়ে তৈরি হয়েছিল তীব্র সংশয়।
নবান্ন সূত্রে খবর, ২০১৬ থেকে ২০১৯ সালের বকেয়া মহার্ঘভাতার ১০০ শতাংশই একলপ্তে মিটিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল সরকার। সরাসরি সরকারি বেতনভুকদের অধিকাংশের টাকা জিপিএফ (GPF) বা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়লেও সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুল-কলেজের ক্ষেত্রে হিসেব নিকেশ কিছুটা সময়সাপেক্ষ ছিল। জেলাওয়াড়ি রিপোর্ট হাতে এলেই দ্রুততার সঙ্গে এই বিশাল অঙ্কের টাকা প্রাপকদের অ্যাকাউন্টে পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। এই সিদ্ধান্তে অগণিত শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর মুখে হাসি ফুটেছে।





