বজরংবলীর আশীর্বাদে খুলবে ভাগ্যের চাকা! হনুমান জয়ন্তীতে এই ছোট কাজ করলেই মিটবে সব সংকট

অশুভ শক্তির বিনাশ আর অন্তহীন সাহসের প্রতীক বজরংবলী। চৈত্র পূর্ণিমার সেই পুণ্যলগ্নে পবনপুত্র হনুমানজীর আবির্ভাব তিথি ঘিরে দেশজুড়ে প্রস্তুতি তুঙ্গে। ২০২৬ সালের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, এবারের হনুমান জয়ন্তী অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হতে চলেছে। জ্যোতিষীদের মতে, এই বিশেষ দিনে গ্রহ-নক্ষত্রের যে বিরল অবস্থান তৈরি হচ্ছে, তাতে বজরংবলীর আরাধনা করলে জাতক-জাতিকাদের শনির দশা বা রাহুর কুপ্রভাব থেকে মুক্তি পাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

রাম নবমীর ঠিক কয়েকদিন পরই পালিত হবে এই পবিত্র উৎসব। চৈত্র মাসের পূর্ণিমা তিথি তথা বজরংবলীর জন্মতিথি এই বছর পড়েছে আগামী ২ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার। জ্যোতিষী রাহুল দে-র মতে, অত্যন্ত সামান্য উপকরণেই তুষ্ট হন সঙ্কটমোচন। ভক্তরা এই দিনে উপবাস রেখে শ্রী হনুমানের আরাধনা করেন, যাকে ভগবান শিবের রুদ্র অবতার হিসেবেও বিবেচনা করা হয়।

সঙ্কট মেটানোর সহজ উপায়:
জ্যোতিষী রাহুল দে পরামর্শ দিচ্ছেন, এদিন সকালে স্নান সেরে লাল বা হলুদ রঙের পোশাক পরিধান করা শুভ। এছাড়া হনুমান মন্দিরে বা বাড়িতে ১১ বার ‘হনুমান চল্লিশা’ পাঠ করলে দ্রুত আশীর্বাদ পাওয়া যায়। মন্দিরে ধূপকাঠি জ্বালানোর পাশাপাশি ‘ওঁ নমঃ হনুমতে’ মন্ত্র জপ করা এবং ভোগ হিসেবে বেসনের লাড্ডু নিবেদন করার বিধান রয়েছে। এছাড়া গ্রহদোষ কাটাতে এদিন অশ্বত্থ গাছের তলায় ঘি বা তেলের প্রদীপ জ্বালানো এবং বাড়ির মূল প্রবেশদ্বারে ‘স্বস্তিক’ চিহ্ন আঁকা অত্যন্ত ফলদায়ক হতে পারে।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy