২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগেই রাজ্যের প্রশাসনিক স্তরে এক বিশাল রদবদল ঘটাল নবান্ন। এক ধাক্কায় রাজ্যের ৮৩টি ব্লকের ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক (BDO) এবং অতিরিক্ত নির্বাচনী আধিকারিকদের (ARO) বদলি করা হয়েছে। এই তালিকায় সবথেকে উল্লেখযোগ্য নাম হলো পূর্ব মেদিনীপুরের হাইভোল্টেজ কেন্দ্র নন্দীগ্রাম। ভোটের আগে এই গণ-বদলির ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
নন্দীগ্রামে বড় বদল: বিগত নির্বাচনগুলোতে নন্দীগ্রাম বরাবরই সংবাদের শিরোনামে থেকেছে। এবারও ভোটের প্রস্তুতি চলাকালীন নন্দীগ্রামের বিডিও-কে বদলি করার সিদ্ধান্ত অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। প্রশাসনিক সূত্রের খবর, নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনে যারা তিন বছরের বেশি সময় ধরে এক জায়গায় রয়েছেন বা যাদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
প্রশাসনিক কারণ ও প্রভাব: সাধারণত ভোটের আগে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা মেনেই রাজ্য প্রশাসন এই ধরণের রদবদল করে থাকে যাতে নির্বাচনী প্রক্রিয়া অবাধ ও স্বচ্ছ হয়। ৮৩ জন আধিকারিকের এই বদলির তালিকায় উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ—প্রায় সব জেলারই নাম রয়েছে। বিরোধীদের দাবি, শাসক দলের ঘনিষ্ঠ অফিসারদের সরিয়ে নিরপেক্ষতা বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত। অন্যদিকে, প্রশাসনের দাবি এটি একটি রুটিন প্রক্রিয়া।