বসন্তের আমেজ কাটতে না কাটতেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আছড়ে পড়েছে করোনার নতুন ঢেউ। গত কয়েক সপ্তাহে সে দেশে সংক্রমণের হার প্রায় ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, করোনার এই নয়া ভ্যারিয়েন্টটি আগের তুলনায় অনেক বেশি দ্রুত ছড়াতে সক্ষম। বিশেষ করে নিউ ইয়র্ক, ক্যালিফোর্নিয়া এবং টেক্সাসের মতো জনবহুল রাজ্যগুলিতে পজিটিভিটি রেট ঊর্ধ্বমুখী।
কতটা ভয়ের এই নতুন ভ্যারিয়েন্ট? ভাইরাস বিশেষজ্ঞদের মতে, এই নতুন স্ট্রেনটি মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউনিটি ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিতে ওস্তাদ। যারা ইতিমধ্যেই টিকা নিয়েছেন বা আগে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, তাঁদের শরীরেও এই ভাইরাস পুনরায় হানা দিচ্ছে। তবে স্বস্তির খবর এটাই যে, এখন পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তির হার বা মৃত্যুর হার উদ্বেগজনকভাবে বাড়েনি। আক্রান্তদের মধ্যে মূলত প্রচণ্ড ক্লান্তি, গলা ব্যথা এবং দীর্ঘস্থায়ী কাশির লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।
সতর্কবার্তা ও প্রস্তুতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। আমেরিকায় ইতিমধ্যেই ভিড় এলাকায় মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া শুরু হয়েছে। ভারতের মতো দেশগুলিতেও আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোতে নজরদারি বাড়ানোর কথা ভাবা হচ্ছে। চিকিৎসকদের পরামর্শ— যদি জ্বর বা সর্দি-কাশির মতো উপসর্গ দেখা দেয়, তবে অবহেলা না করে দ্রুত পরীক্ষা করানোই শ্রেয়। বুস্টার ডোজ নেওয়া থাকলে রোগের তীব্রতা অনেকটাই কমানো সম্ভব বলে মনে করা হচ্ছে।