ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে চলেছে ডিআরডিও-র তৈরি ‘শৌর্য এনজি’ (নেক্সট জেনারেশন)। এটি একটি হাইপারসনিক ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র, যা শব্দের চেয়ে সাত গুণ বেশি দ্রুত (ম্যাক ৭+) লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। এর সবথেকে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর উড্ডয়ন কৌশল; এটি সাধারণ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের মতো সরল পথে না গিয়ে বায়ুমণ্ডলের ভেতরেই বারবার দিক পরিবর্তন করতে পারে, ফলে শত্রুর আধুনিক বায়ু প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পক্ষে একে আটকানো কার্যত অসম্ভব।
প্রায় ৭০০ থেকে ১০০০ কিলোমিটার পাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ৫০ কিলোমিটার উচ্চতায় উড়ে গিয়ে লক্ষ্যভেদ করে। উচ্চ গতির কারণে এর চারপাশে তৈরি হওয়া প্লাজমা স্তর যাতে দিকনির্ণয়ে বাধা না দেয়, সেজন্য এতে ব্যবহার করা হয়েছে অত্যাধুনিক ‘মাল্টি-মোড সিকার’। এছাড়া ‘কোল্ড লঞ্চ’ প্রযুক্তির কারণে এটি রক্ষণাবেক্ষণ ছাড়াই ১০-১৫ বছর ক্যানিস্টারে সুরক্ষিত থাকতে পারে এবং যুদ্ধক্ষেত্রে মাত্র ৫ মিনিটের প্রস্তুতিতেই উৎক্ষেপণ করা সম্ভব।