বিশ্ব বাজারে অস্থিরতার মধ্যেই দেশের শিল্প ও বাণিজ্যিক খাতে বড়সড় স্বস্তির খবর দিল কেন্দ্র। পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক ঘোষণা করেছে যে, বাণিজ্যিক এলপিজি (LPG) সিলিন্ডারের বরাদ্দ বর্তমানের ৫০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে একলাফে ৭০ শতাংশ করা হচ্ছে। বিশেষ করে ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের আবহে যখন বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজার টালমাটাল, তখন এই সিদ্ধান্ত দেশীয় উৎপাদনে গতি আনবে বলে মনে করা হচ্ছে।
পেট্রোলিয়াম সচিব ড. নীরজ মিত্তালের নির্দেশিকা অনুযায়ী, এই বর্ধিত কোটা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পাবে শ্রম-নিবিড় শিল্পগুলি। ইস্পাত, অটোমোবাইল, বস্ত্র, রাসায়নিক এবং প্লাস্টিক শিল্পের মতো যে সব ক্ষেত্রে তাপ উৎপাদনের জন্য এলপিজি অপরিহার্য, সেখানে বাড়তি জোগান নিশ্চিত করা হবে। এর আগে গত ২৩ মার্চ হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং হোটেল-রেস্তরাঁর জন্য কোটা বাড়ানো হয়েছিল। পাশাপাশি পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য প্রতিদিন ১৮০টি ছোট সিলিন্ডার বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
জ্বালানি স্বস্তি এখানেই শেষ নয়; সরকার পেট্রোল ও ডিজেলের ওপর অতিরিক্ত আবগারি শুল্ক লিটার প্রতি ১০ টাকা কমিয়ে দিয়েছে। এর ফলে পেট্রোলের আবগারি শুল্ক কমে দাঁড়িয়েছে লিটার প্রতি ৩ টাকায় এবং ডিজেলের ক্ষেত্রে তা এখন শূন্য। ওএনজিসি-র মতো সংস্থাগুলির ওপর কোনও ‘উইন্ডফল ট্যাক্স’ না বসানোর সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে, যা অভ্যন্তরীণ তেল উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।





